এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
যারা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রণীত বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ কিংবা ‘চানাচুরের বাজেট’ বলে আখ্যা দেন, তারা কখনো জনগণের প্রকৃত বন্ধু হতে পারেন না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান[1]। তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত এবং তা ছাড়া সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়[1]।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন[1][2]।
সাধারণ মানুষের কল্যাণে সরকারের অঙ্গীকার
সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪০ লাখ পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড এবং সমসংখ্যক কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে[1]। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরে উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার জোরালো পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের[1]।
বাজেট বিরোধীদের সমালোচনা
বাজেট নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাজেটে মায়েদের সুবিধার্থে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, শিক্ষা খাতে বিশেষ বরাদ্দ এবং সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা চিন্তা করে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে[1]। এমন একটি জনবান্ধব বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে সমালোচনা করেন, তারা আসলে জনকল্যাণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না[1]। সংসদে ও সংসদের বাইরে যারা নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছেন, তাদের বিষয়ে সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি[1]।
অর্থ পাচার ও অপচয় রোধে কঠোর অবস্থান
বিগত সরকারগুলোর আমলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিগত ১৭ বছরে এ দেশ থেকে যেভাবে জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ পাচার করা হয়েছে, তা আর হতে দেওয়া হবে না[1]। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় এবং অবৈধ অর্থ পাচার পুরোপুরি বন্ধ করা গেলে দেশের মানুষের কল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনায় কোনো আর্থিক সংকট থাকবে না[1][3]।” তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, পাচার বন্ধ করে সেই অর্থ দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নেই ব্যবহার করা হবে[1][3]।
দেশের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো অশুভ শক্তি যদি দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে সাধারণ মানুষের সামাজিক সুরক্ষামূলক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে[1]। তাই দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি[1]।
জনগণই বিএনপির মূল শক্তি
বিএনপির রাজনৈতিক দর্শনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, যখনই দেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, জনগণ ধানের শীষকে বিজয়ী করেছে[1]। কারণ বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের পক্ষে কাজ করে[1]। সংকটকালীন মুহূর্তে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো দেশের মানুষকে ফেলে চলে যাননি, সবসময় তাদের পাশেই থেকেছেন[1]।
অনুদানের চেক ও সহায়তা বিতরণ
অনুষ্ঠানে শ্রীমঙ্গলের ৫০ জন নারী চা শ্রমিককে নিজস্ব বাসস্থান নির্মাণের জন্য দুই লাখ টাকা করে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়[1]। পাশাপাশি চা শ্রমিক পরিবারের ১৫০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়[1]।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন[1]।
কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন[1]।
জুন ১৭, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২ আগস্ট, ২০২৬
রাজধানী | ২ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ২ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।