এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বাংলাদেশে জোরপূর্বক পুশ-ইন (অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা) ও সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। আগামী শুক্রবার দেশের সব সীমান্তবর্তী জেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে একযোগে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে এই জোট।
এছাড়াও সারা দেশে খুন, ধর্ষণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক অবনতির প্রতিবাদে আগামী ১৫ জুন (সোমবার) রাজধানীর শাহবাগের শহীদ হাদী চত্বরে এক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের নেতারা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। অবিলম্বে ভারত সরকার কর্তৃক বাংলাদেশে পুশ-ইন এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, "বর্তমান সরকার অতীতের ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে। তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা প্রকৃত কোনো সংস্কার চায় না। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশও সীমান্তে অব্যাহতভাবে বাড়াবাড়ি করে যাচ্ছে।"
তিনি আরও বলেন, "সীমান্তে যদি কোনো বিদেশি নাগরিকের উপস্থিতি থাকে, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা আমাদের দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি।"
ড. আযাদ পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, গত তিন মাসে সীমান্তে ৫০ বারেরও বেশি পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারত। আর গত ১০০ দিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে ১৯ জন নিরীহ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার এই নির্মমতার বিরুদ্ধে যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, "সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য আমাদের জাতীয় নীতির পরিপন্থী। বিশ্বের কোনো দেশের আইনেই সরাসরি গুলি করার নিয়ম নেই। এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।" তিনি সরকারকে অনতিবিলম্বে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি পরিহার করে জনগণের সজাগ ভূমিকার মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী তাঁর সীমান্ত পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, "আমি নিজে সীমান্ত এলাকা ঘুরে মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট ও ভীতি দেখেছি। সীমান্তে আমাদের সরকারের ভূমিকা খুবই অপ্রতুল। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হবে।"
সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
এপ্রিল ১২, ২০২৬
ফেব্রু ২২, ২০২৬
মে ২৪, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
জাতীয় | ১০ জুন, ২০২৬
ভারত | ১০ জুন, ২০২৬
কুমিল্লা | ১০ জুন, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১০ জুন, ২০২৬
বাংলাদেশ | ১০ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।