বিয়ার’ নয় ম্যাচসেরার ট্রফি হাতে ভিনিসিয়াসের মুখে ‘ভাতের’ গল্প

অনলাইন ডেস্কঃ
২০ জুন, ২০২৬ ৩:৫৩ পিএম
শেয়ার করুন:
বিয়ার’ নয় ম্যাচসেরার ট্রফি হাতে ভিনিসিয়াসের মুখে ‘ভাতের’ গল্প

মরক্কোর পর এবার হাইতির বিপক্ষেও চমৎকার পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়র। ম্যাচে নিজে গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়েছেন। দলটির স্ট্রাইকার মাথিয়াস কুনহার জোড়া গোলের ম্যাচেও ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা উইঙ্গারের হাতে। তবে ম্যাচসেরা হিসেবে পাওয়া পুরস্কারটি ভিনিসিয়াসের ব্যক্তিগত জীবনে তেমন কোনো কাজে আসছে না। কারণ, তিনি বিয়ার পান করেন না। বরং ভাত-জাতীয় খাবার খেতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে ভিনিসিয়াস বলেন, “আমি বিয়ার পান করি না। তাই এই পুরস্কারটি আমার জন্য কিছুটা জটিল। আমরা বন্ধুরা মিলে সবসময় ভাতের সঙ্গে বিনস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও মাংস খাই। আমার মনে হয় এটিই আমার সবচেয়ে প্রিয় খাবার।”

শনিবার সকালে ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ডে হাইতির মুখোমুখি হয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে চোখ ধাঁধানো এক গোল করেন ভিনিসিয়াস। মাঝমাঠ থেকে লুকাস পাকুয়েতা হাইতির রক্ষণভাগের ওপর দিয়ে বল ভাসিয়ে দেন ডি-বক্সে। সেখানে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ভিনিসিয়াস। চলতি বিশ্বকাপে এটি রিয়াল মাদ্রিদ তারকার দ্বিতীয় গোল।

ম্যাচে জোড়া গোল করে ব্রাজিলের জয়ে বড় অবদান রাখা সতীর্থ মাথিয়াস কুনহার প্রশংসা করে ভিনিসিয়াস বলেন, “প্রতিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতার ওপর ভিত্তি করেই আমাদের কোচ খেলোয়াড় ও ফরমেশন ঠিক করেন। কুনহা আজ দুর্দান্ত খেলেছে। সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যেভাবে ‘ফলস নাইন’ পজিশনে খেলে, আজ এখানেও ঠিক সেভাবেই খেলেছে। তার এই দুটি গোলে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। নিজের সেরা ফর্ম ধরে রাখতে সে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে।”

হাইতির বিপক্ষে দলের কৌশলগত পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এই ফরোয়ার্ড। প্রথম ম্যাচের ড্রয়ের পর দলের ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠে খেলোয়াড়রা এখন অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে খেলছেন বলে তিনি জানান।

নিজের খেলার পজিশন ও কোচের কৌশল নিয়ে ভিনিসিয়াস বলেন, “কোচ আমাকে মাঠের মাঝখানটায় (সেন্ট্রাল পজিশনে) খেলার কথা বলেছিলেন। সত্যি বলতে আমি এই পজিশনে খেলতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। তবে লক্ষ্য করেছি, যখনই আমি মাঝখানে খেলি, তখনই গোল পাই। হয়তো দলের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আমাকে এই পজিশনে আরও বেশি খেলতে হবে।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।