এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য খতিয়ে দেখতে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি এনফোর্সমেন্ট দল এই অভিযান চালায়। পরিদর্শনের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেন দুদক কর্মকর্তারা।
অভিযানকালে দুদকের দল হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বিভাগ ঘুরে দেখেন। এ সময় লোডশেডিংয়ের বিপরীতে বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি এবং রোগীদের সরবরাহ করা খাবারের মান পর্যবেক্ষণ করা হয়। একই সঙ্গে হাসপাতাল চত্বরে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালদের সক্রিয় উপস্থিতি নজরে এলে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন অভিযান পরিচালনাকারী দলের সদস্যরা।
বিশেষ করে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ও সেবা প্রদানে ধীরগতি নিয়ে রোগীদের ক্ষোভের বিষয়টি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে দুদক। ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্ট পেতেই দীর্ঘ তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানের পর পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, হাসপাতালটি ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও এখনো জনবল সংকট কাটেনি এবং পুরোপুরি কার্যক্রম চালুর ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে ডেঙ্গুর রিপোর্ট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামীতে যেন সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্ট নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
এছাড়া ডেঙ্গু ওয়ার্ডের অনেক রোগী সরকারি খাবার পাচ্ছেন না বলেও অভিযানে প্রমাণ পাওয়া যায়। এ প্রসঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে দুদক জানায়, ভবনটি ২৫০ শয্যার হলেও সরকারি বরাদ্দ এখনও ১০০ শয্যার নিয়মেই আটকে আছে। ফলে পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় বাধ্য হয়ে সব রোগীকে খাবার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, “প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে এই এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধীরগতি, দালালদের দৌরাত্ম্য, খাবারের মান ও জেনারেটরের বিকল্প ব্যবস্থাপনাসহ সামগ্রিক বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং দুর্নীতি প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে দুদকের এই আকস্মিক অভিযানের বিষয়ে জানতে পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমানের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অক্টোবর ১৭, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
ময়মনসিংহ | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।