এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কিছু রাজনৈতিক মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ জীবনযাত্রা ও রাজনৈতিক পরিমিতিবোধের প্রশংসা করার পাশাপাশি দুটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে তাঁর আচরণকে ‘দৃষ্টিকটু’ বলে অভিহিত করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ভিন্ন দল ও মতাদর্শের কারণে রাজনীতিতে যুক্তি-তর্ক ও মতবিরোধ থাকা স্বাভাবিক। তবে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সবসময় কথার স্রোতে গা ভাসানো সমীচীন নয়। নতুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কাছ থেকে এমন কিছু প্রত্যাশিত নয়, যা অতীতে চলে আসা কোনো অপ্রত্যাশিত দৃষ্টান্তের পুনরাবৃত্তি ঘটায়।
প্রধানমন্ত্রীর আচরণে যে দুটি বিষয় দৃষ্টিকটু লেগেছে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:
১. রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিয়ে উপহাস
সারজিস আলম উল্লেখ করেন, একাধিক জনসভায় লক্ষ মানুষের সামনে মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী যখন একটি রাজনৈতিক দলকে ‘গুপ্ত গুপ্ত’ বলে ঠাট্টা-মশকরা করেন, তখন তা অশোভন দেখায়। প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কারণে তাঁর দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা আরও উৎসাহিত হয়ে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন করেন। এর ফলে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটি বিনষ্ট হয়ে তীব্র বিদ্বেষের রাজনীতি তৈরি হয়, যা তরুণ সমাজ বা দেশের সাধারণ মানুষ প্রত্যাশা করে না।
২. ঋণমুক্ত সংসদ সদস্যদের বিদ্রূপ ও ঋণখেলাপিদের পরোক্ষ প্রশ্রয়
সংসদে বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য যখন জানান যে ব্যাংকে তাঁদের কোনো ঋণ নেই, তখন প্রধানমন্ত্রী তাঁদের ‘জমিদার’ বলে ঠাট্টা করেছেন। সারজিস আলম একে অনভিপ্রেত উল্লেখ করে বলেন, যেখানে সংসদে এমন কিছু সংসদ সদস্য আছেন যাঁরা জনগণের শত শত কোটি টাকা লুটপাট করে ঋণখেলাপি হয়ে বসে আছেন, সেখানে একজন সংসদ সদস্য ঋণমুক্ত থাকাকে ঠাট্টা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঋণ নেওয়া বা ঋণখেলাপি হওয়া কোনো গর্বের বিষয় হতে পারে না। তাই ঋণ না থাকাকে উপহাস করার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ঋণখেলাপিদেরই উৎসাহিত করা হয়, যা দেশ বা সরকারের জন্য কল্যাণকর নয়।
পোস্টের শেষে এনসিপি নেতা আশা প্রকাশ করেন, দল, মত ও আদর্শের বাইরে গিয়ে দেশে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর ক্ষমতাসীন দল নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করবে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
পিরোজপুর | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মাগুরা | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।