এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান মিয়া প্রধান অপহৃত হননি; বরং বিয়ের চাপ এবং ধর্ষণের ঘটনা আড়াল করতে তিনি নিজেই নাটকীয়ভাবে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে তাঁকে উদ্ধারের পর জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এদিকে, জিসানের উদ্ধারের খবর পেয়ে ওই রাতেই তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী এক নারী।
পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও মামলার বিবরণী সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫-৬ মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে লিজা আক্তার (২৫) নামের এক বিধবা নারীর সঙ্গে পরিচয় হয় জিসানের। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০ মে দাউদকান্দি এলাকায় জিসানের একটি ভাড়া বাসায় লিজা ধর্ষণের শিকার হন। পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের কারণে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর জিসান তাঁকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দিতে থাকেন এবং গর্ভপাত না করালে মেরে ফেলার হুমকি দেন। একপর্যায়ে লিজা রাজি হলে জিসান তাঁর বন্ধু সেকান্দার আলীর ওষুধের দোকান থেকে গর্ভপাতের ওষুধ কিনে এনে লিজাকে খাওয়ান। এতে লিজার প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হলে জিসান তাঁর চাচাতো ভাই সজীবের মাধ্যমে আবারও ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে দেন।
শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ার পর ভুক্তভোগী নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে জিসান ১২ জুন (শুক্রবার) তাঁকে বিয়ে করতে সম্মতি জানান। কিন্তু বিয়ে করার কোনো ইচ্ছা না থাকায়, ঠিক আগের দিন ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) রাতে জিসান কৌশলে আত্মগোপনে চলে যান। অপরদিকে, জিসান নিখোঁজ হয়েছেন দাবি করে তাঁর চাচাতো ভাই রাসেল আহাম্মদের মাধ্যমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করানো হয়।
অবশেষে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে লাকসাম ক্রসিং থানা পুলিশ জিসানকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার করে। তাঁর উদ্ধারের খবর পেয়ে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি এবং তাঁর সহযোগীদেরসহ মোট ৪ জনের নাম উল্লেখ করে দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ধর্ষণ, ধর্ষণে সহায়তা এবং জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, "নিখোঁজ শিবির নেতা জিসানকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্কের জেরে এবং আইনি জটিলতা এড়াতে তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন। ওই নারী তাঁর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।"
অভিযুক্ত জিসান মিয়া প্রধান বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি।
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
রাজনীতি | ১৩ জুন, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৩ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ জুন, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১২ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।