এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এবার জাতীয়তাবাদের নামে ঋণ খেলাপি ও বিদেশী নাগরিকদের লাল কার্ড দেখানো হবে। আমরা দেখেছি তারা বিভিন্ন স্থানে দুর্নীতির কথা বলে। তারা জাতীয়তাবাদের রাজনীতি করে। কিন্তু একটা জাতীয়তাবাদের রাজনীতি করা দলের প্রার্থীদের একটা বড় অংশ বিদেশী নাগরিক। তারা বাংলাদেশের নাগরিকই না। যাদের প্রার্থীরা একক ভাবে এ দেশের নাগরিক না। তাদের মুখে জাতীয়রতাবাদের কথা অত্যন্ত হাস্যকর শুনায়।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগের সেবারহাটে এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আসিফ মাহমুদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার জাতীয়তাবাদী দল, দলের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাসই রয়ে গেছে। বাস্তবে আর তার কোন চিহৃই নেই। আমরা দেখেছি তারা কিভাবে আপনার আমার জনগণের টাকা লুট করা, ব্যাংক খেলাপিদের, ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দিয়েছে। ঋণ খেলাপিরা আবারও বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসে আবারও আপনার-আমার টাকা, জনগণের টাকা লুট করার জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা তাদেরকে কি সেই সুযোগ দিবো? আমরা কি ঋণ খেলাপি বিদেশী নাগরিকদের ভোট দিয়ে আমাদের ওপর রাজত্ব করার সুযোগ দিবো?
আসিফ মাহমুদ বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন,তারা কৃষক এবং শ্রমিকদের পেনশন চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারা পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে একটি প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন করে নাই। সুতারাং এখন যতই কৃষক কার্ড, ফ্যামেলি কার্ড, যত কার্ডের কথাই বলুক না কেন, বাংলাদেশের মানুষ জানে, মানুষের অভিজ্ঞতা আছে। আপনারা কোন কথাই রাখবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমরা একটি দলকে বার বার বলতে শুনি সংস্কারের কথা। তারাই নাকি প্রথম সংস্কারের কথা বলেছিল। কিন্তু তারা বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করছে, মানুষের কাছে ভোট চাচ্ছে। কিন্তু একটা বারেও তাদের দলীয় প্রধানকে সংস্কারের কিংবা গণভোটের কথা মুখেও আনতে দেখি নাই। তারা অনান্য দলকে বলে মুখে এক, মনে আরেক। অথচ তাদেরকেও আমরা দেখতেছি তারা মুখে এক, মনে আরেক। একদিকে তাদের কেউ কেউ সংস্কারের কথা বলে, আবার মাঠ পর্যায়ে না ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেন করে। তাদের মুনাফিকি ইতিমধ্যে বাংলাদেশের মানুষজন চিহিৃত করে ফেলেছে।
নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ মাহমুদ বলেন, সেনবাগেও তারা পেশি শক্তি দিয়ে কেন্দ্র দখল করার হুমকি দিচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ তিনটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। আমরা ঐক্যমত্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাদের হুশিয়ারি করে দিতে চাই। যদি এবার বাংলাদেশের একজন নাগরিককেও তার ভোটধিকার প্রয়োগে কোন ধরনের বাধা দেওয়া হয়। তাহলে কিন্তু আমরা তা বসে-বসে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে দেখবনা। যেখানেই কাউকে ভোট দিতে বাধার সৃষ্টি করা হবে, সেখানেই আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব। বাংলাদেশের কোন নাগরিক এবার ভোট না দিয়ে কেন্দ্র থেকে ফিরে যাবে না।
এ সময় নোয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এনসিপি নেতা সুলতান জাকারিয়া উপস্থিত ছিলেন।
নভেম্বর ১৬, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ৩ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ৩ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ৩ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।