১১ মামলার আসামি বুলেট ফারুক ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

রিপন মজুমদার, জেলা প্রতিনিধি, নোয়াখালিঃ
১১ জুন, ২০২৬ ৩:২৫ পিএম
শেয়ার করুন:
১১ মামলার আসামি বুলেট ফারুক ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ-সেনবাগ উপজেলার শীর্ষ মাদক কারবারি ওমর ফারুক ওরফে বুলেট ফারুককে ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, একটি রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ সময় মাদক বিক্রির এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা, একটি রয়েল এনফিল্ড মোটর সাইকেল ও ২টি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।  

বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট পূর্ব বাজার এলাকার ফেনী-চৌমুহনী মহাসড়কে ডিএনসি-র‍্যাবের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার বুলেট ফারুকের (৪৪) উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লতিফপুর গ্রামের কামাল উদ্দিন হাজীর বাড়ির মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জমিদারহাট পূর্ব বাজারের ফেনী টু চৌমুহনী মহাসড়কের উপর থেকে বুলেট ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কোমর থেকে ৫ হাজার ৩১০ পিস এবং মোটরসাইকেলের টুলবক্স থেকে আরও ৪ হাজার পিসসহ মোট ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, একটি রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

ডিএনসি জানায়, বুলেট ফারুক নোয়াখালীর সেনবাগ, বেগমগঞ্জ ও ফেনীর দাগনভূঞা এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সেনবাগ ও বেগমগঞ্জ, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও সিএমপির ডবলমুরিং এবং ফেনীর দাগনভূঞা থানায় অস্ত্র মামলাসহ মোট ১১টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী জানায়, নিজস্ব মোটরসাইকেল ব্যবহার করে প্রতি সপ্তাহে ২/৩ বার চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালীতে পৌঁছে দিত। বেগমগঞ্জ এলাকার লতিফপুর, হাজীপুর, রসুলপুর, জমিদারহাট, সেনবাগ উপজেলার সেবারহাট, ছবির মুন্সিরহাট, কাবিলপুর এবং দাগনভূঞা উপজেলার খুচরা মাদক ব্যবসায়ীদের ইয়াবা সরবরাহ করতো সে। নোয়াখালীতে তার অধীনে ৩টি খুচরা সিন্ডিকেট আছে বলে জানা যায়।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ডিএনসির নোয়াখালী জেলা কার্যালয় ফেনীর দাগনভূঞা এলাকা থেকে তাকে ১১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তিনি ওই বছরের ডিসেম্বর মাসে জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। জেলার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে ডিএনসি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।