এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচে জয় দিয়ে শুভসূচনা করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আসতেকা স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। তবে ম্যাচটি শুধু মেক্সিকোর জয় কিংবা প্রথম গোলের জন্য নয়, বরং তিনটি লাল কার্ড এবং টানটান উত্তেজনার কারণে ফুটবলপ্রেমীদের মনে দীর্ঘকাল দাগ কেটে থাকবে।
ঐতিহাসিক প্রথম গোল ও মেক্সিকোর আধিপত্য
ম্যাচের শুরু থেকেই ঘরের মাঠে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। খেলার মাত্র ৫ মিনিটে গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন মেক্সিকান ফরোয়ার্ড রাউল হিমেনেস, কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস দারুণ এক সেভে দলকে রক্ষা করেন। তবে মেক্সিকোকে প্রথম গোলের জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ৯ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগের ভুলে বল কেড়ে নেন হুলিয়ান কিনিওনেস। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার স্পেফেলো সিথোলের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত এক নিচু শটে বল জালে জড়ান তিনি। আর এর মাধ্যমেই ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতার তালিকায় নিজের নাম লেখান কিনিওনেস।
গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ মেক্সিকোর হাতেই ছিল। প্রথমার্ধে কিনিওনেসের আরও একটি দুর্দান্ত শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে ব্যবধান দ্বিগুণ করা সম্ভব হয়নি। পুরো প্রথমার্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা আক্রমণে মেক্সিকোর রক্ষণভাগের ওপর তেমন কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি।
লাল কার্ডের ছড়াছড়ি ও ব্যবধান দ্বিগুণ
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচের ৫০ মিনিটে মেক্সিকোর ব্রায়ান গুতিয়েরেসকে ফাউল করার অপরাধে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার স্পেফেলো সিথোলে। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয় মেক্সিকো।
ম্যাচের ৬৬ মিনিটে আসে স্বাগতিকদের কাঙ্ক্ষিত দ্বিতীয় গোল। রবার্তো আলভারাদোর চমৎকার ক্রসে দারুণ এক হেডে বল জালে পাঠান অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড রাউল হিমেনেস। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর সফরকারী দলের থেম্বা জোয়ানে লাল কার্ড দেখলে ৯ জনের দলে পরিণত হয় তারা।
তবে মেক্সিকোর জয়ের আনন্দ কিছুটা ম্লান হয় ম্যাচের যোগ করা সময়ে (ইনজুরি টাইম)। দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার সেসার মন্তেস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দুই দল মিলিয়ে মোট তিনটি লাল কার্ডের নাটকীয়তা দিয়ে ম্যাচটি শেষ হয়।
দীর্ঘদিনের খরা কাটল মেক্সিকোর
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ জয় করা মেক্সিকোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে এক প্রকার অসম্ভব কাজ ছিল। এর আগের সাতটি আসরে তারা উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের স্বাদ পায়নি। এবার ঘরের মাঠে ঘরের দর্শকদের সামনে সেই পুরোনো জুজু দূর করলেন কিনিওনেস ও হিমেনেসরা।
এই ম্যাচের পেছনে জড়িয়ে ছিল মেক্সিকোর কোচ হাভিয়ের আগিররের দারুণ এক ব্যক্তিগত আবেগও। আজ থেকে ঠিক ৪০ বছর আগে, ১৯৮৬ সালে এই মাঠেই ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। এবার কোচ হিসেবে ডাগআউটে দাঁড়িয়ে মেক্সিকোকে এনে দিলেন ঐতিহাসিক এক জয়।
সুশৃঙ্খল আয়োজন ও আধুনিক রেফারিং
যানজট বা নিরাপত্তা নিয়ে ম্যাচের আগে নানা শঙ্কা থাকলেও এস্তাদিও আসতেকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল ছিমছাম ও বর্ণিল। গ্যালারিভর্তি দর্শকের উচ্ছ্বাস আর মাঠে খেলোয়াড়দের লড়াই মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের পর্দা উঠল রাজকীয়ভাবে। ম্যাচে ভিএআর (VAR) প্রযুক্তির দ্রুত ব্যবহার এবং মাঠে রেফারির সিদ্ধান্তের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দর্শকদের জন্য খেলা দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও উপভোগ্য করে তুলেছে।
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
জাতীয় | ১৬ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ১৬ জুন, ২০২৬
চট্টগ্রাম | ১৬ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ১৬ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ১৬ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।