একনেকে ৩৮৯১ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন, আটকে গেল খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্প

অনলাইন ডেস্কঃ
৯ জুন, ২০২৬ ৩:২৩ পিএম
শেয়ার করুন:
একনেকে ৩৮৯১ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন, আটকে গেল খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্প

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। 

সভা শেষে সংশ্লিষ্টরা জানান, অনুমোদিত ১০টি প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৫টি নতুন, ৩টি সংশোধিত এবং ২টি মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়া প্রকল্প রয়েছে।

যেসব প্রকল্প অনুমোদন পেল:
সভায় অনুমোদিত উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে:
   পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’।
   ভূমি মন্ত্রণালয়ের ‘সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ’।
  পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘ময়মনসিংহ সিটি     করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ’।
   সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন’।
   জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউজ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন’।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা এবং বিদ্যুৎ খাতের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রীর মাধ্যমে ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সম্বলিত আরও ৬টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়।

খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক ও চীনা ইকোনমিক জোন:
এদিন ১২টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হলেও শেষ পর্যন্ত ১০টি প্রকল্প ছাড়পত্র পায়। অনুমোদিত হয়নি বহুল আলোচিত ‘খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক (তৃতীয় সংশোধন)’ প্রকল্পটি। দীর্ঘ সময় ধরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিলম্ব হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এর কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রকল্পটি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। 

অন্যদিকে, সময়ের স্বল্পতার কারণে ‘চীনা ইকোনমিক জোন’ প্রকল্পটি নিয়ে সভায় আলোচনা করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী একনেক সভায় এটি পুনরায় উত্থাপন করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।