এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ২৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে দেশজুড়ে চলা আলোচনার মধ্যে মুখ খুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।
পুরো বিষয়টি খোলাসা করতে ফেসবুক লাইভ
গত ৩১ মে রোববার দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দীর্ঘ ৪৩ মিনিটের একটি লাইভ ভিডিওতে আসেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। সেখানে তিনি হাতে-কলমে প্রমাণসহ ১০ কোটি টাকার হিসাব তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, জেলা পরিষদের মাধ্যমে যে অর্থ ব্যয় হয়েছে তা ব্যক্তিগত কোনো অর্থ নয়, বরং স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ।
হাসনাত আব্দুল্লাহর ভাষ্য
লাইভে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “প্রশাসক হয়তো রাজস্ব খাত এবং বিশেষ বরাদ্দের পার্থক্যটি বুঝতে পারেননি। যে অর্থের কথা বলা হচ্ছে, তা ব্যক্তিগতভাবে আমাদের পকেটে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এই অর্থ দেবিদ্বারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং নিজস্ব রাজস্ব খাত মিলিয়ে মোট ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবিদ্বারে দেওয়া হয়েছে। মোট ১৪৮টি খাতে এই অর্থ বণ্টন করা হয়েছে। সবকিছুই জেলা পরিষদের সরকারি ওয়েবসাইটে বিস্তারিত দেওয়া আছে, যা যে কেউ যাচাই করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ একটি প্রক্রিয়া।”
‘মিডিয়া ট্রায়াল’ নিয়ে ক্ষোভ
অভিযোগকারী প্রশাসনের উদ্দেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং অনলাইনে উন্মুক্ত থাকা সত্ত্বেও যেভাবে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ চালানো হয়েছে, তা খুবই দুঃখজনক। ইন্টারনেটে সার্চ করলেই কোন খাতে কত টাকা খরচ হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।”
তিনি উল্লেখ করেন যে, তিনি তার নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি বরাদ্দের হিসাব তার নিজের ফেসবুক পেজ ‘জবাবদিহিতা’-তে নিয়মিত আপডেট দিয়ে থাকেন। জেলা পরিষদের সরকারি ওয়েবসাইটের (https://zp.cumilla.gov.bd) লিঙ্ক উল্লেখ করে তিনি জানান, জনগণ চাইলেই সেখান থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
পরিশেষে, তিনি এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদ জানিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।