এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেডের সাবেক বিক্রয় সহকারী খালেদ সাইফউল্লাহ টিপুকে ৮ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জিত ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৬ টাকা ৯০ পয়সা মূল্যের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের করা হয়।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন।
দন্ডপ্রাপ্ত সাইফউল্লাহ ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেন কানুনগোর ছেলে এবং বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেড কুমিল্লার গৌরীপুর শাখার সাবেক বিক্রয় সহকারী ছিলেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ফেনী সদর থানার ২০১১ সালের একটি দুর্নীতি মামলায় আসামি খালেদ সাইফুল্লাহ টিপুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ২৭(১) ধারায় ৫ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। উভয় দণ্ড মিলিয়ে তাকে মোট ৮ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের রায়ে আরও বলা হয়, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জিত ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৬ টাকা ৯০ পয়সা মূল্যের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, খালেদ সাইফুল্লাহ টিপু ২০০০ সালের ২৩ নভেম্বর থেকে ২০০৪ সালের ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেড কুমিল্লার গৌরীপুর কার্যালয়ে বিক্রয় সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ সময় তিনি ১৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭১৮ টাকায় ৫১৯ দশমিক ৩৭ শতক জমি ক্রয় করেন এবং একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণে ৩৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৯১ টাকা ব্যয় দেখান। তবে প্রকৌশলীর প্রতিবেদনে ভবনটির প্রকৃত নির্মাণ ব্যয় ৬১ লাখ ৭ হাজার ৯৯ টাকা ৫২ পয়সা পাওয়া যায়। এছাড়া সোনাগাজীতে একটি মার্কেট নির্মাণের ব্যয় সম্পর্কেও অসঙ্গতি পাওয়া যায়।
দুদকের তদন্তে দেখা যায়, ভবন ও মার্কেট নির্মাণ ব্যয়ের হিসাবে গোপনীয়তার মাধ্যমে তিনি মোট ৩৮ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮৬ টাকা ৯৪ পয়সা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।
মামলাটি তদন্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. মশিউর রহমান। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন দুদকের নোয়াখালীর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জহির উদ্দিন। তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন দুদকের নোয়াখালী কোর্ট ইন্সপেক্টর মো.ইদ্রিছ।
জুলাই ১২, ২০২৬
জুন ২০, ২০২৬
নভেম্বর ২৫, ২০২৪
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
আন্তর্জাতিক | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ২৬ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৬ আগস্ট, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৬ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।