এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, গণঅভ্যুত্থানের পর এক আওয়ামী লীগ নেতাকে নিরাপদে বিমানবন্দরে পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে হান্নান মাসউদ ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন [১]।
বুধবার (৩ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন এই অভিযোগ করেন [১]।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ [১]। আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত বৈঠক শুরু হয় এবং রাজধানীর পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটি টেবিল একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্যই বরাদ্দ থাকত [১]।
**৩ কোটি টাকা দাবির অভিযোগ**
রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে একটি নির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, একবার আওয়ামী লীগের এক সাবেক সংসদ সদস্যকে (এমপি) ৪ কোটি টাকার বিনিময়ে নিরাপদে বিমানবন্দরে পৌঁছে দেওয়ার আলোচনা ওঠে [১]। বৈঠক শেষে হান্নান মাসউদ তাঁর সহযোগী আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন, *"ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা-পয়সার দরকার আছে!"* হান্নান মাসউদের এমন কথা শুনে জিসান স্তম্ভিত হয়ে যান [১]। রাশেদ খাঁনের দাবি, আব্দুল গাফফার জিসান হান্নান মাসউদের এমন অনেক অনৈতিক কর্মকাণ্ডের রাজসাক্ষী [১]।
**নেপথ্যের সহযোগী জিসান**
পোস্টে জিসানের পরিচয় তুলে ধরে রাশেদ খাঁন জানান, জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী [১]। আন্দোলনের উত্তাল সময়ে গত ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও জিসান যখন আত্মগোপনে ছিলেন, তখন জিসান সার্বক্ষণিকভাবে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন [১]। সমন্বয়কদের ছবি ও ভিডিও ধারণের পেছনের মানুষটি ছিলেন এই জিসান [১]। জিসানের ছোট ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, যিনি হান্নান মাসউদের বন্ধু [১]। গণঅভ্যুত্থানের পরও জিসান বেশ কিছুদিন হান্নান মাসউদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন [১]। তবে হান্নানের হঠাৎ টাকার প্রতি লোভ ও পরিবর্তন দেখে একপর্যায়ে তিনি তাঁর সঙ্গ ছেড়ে দেন [১]।
**নোয়াখালীর রাজনীতি ও মোহাম্মদ আলী প্রসঙ্গ**
স্ট্যাটাসের শেষ অংশে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি মোহাম্মদ আলীকে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বা এমপি হওয়ার পথের কাঁটা মনে করতেন হান্নান মাসউদ [১]। এই কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করাতে হান্নান বড় ভূমিকা রাখেন [১]। বিভিন্ন ঘরোয়া আলোচনায় হান্নান মাসউদ বলতেন, নোয়াখালীর অন্য কোনো আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে তাঁর বিরোধ নেই, একমাত্র বিরোধ মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে [১]। এমনকি নোয়াখালীর এমপি হতে হলে তাকেও মোহাম্মদ আলীর মতো বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে—এমন মনোভাবও তিনি প্রকাশ করতেন [১]।
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
জাতীয় | ৩ জুন, ২০২৬
ভারত | ৩ জুন, ২০২৬
কুড়িগ্রাম | ৩ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ৩ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ৩ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।