এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত অবস্থান এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কারণে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মায়ারাম তনচংগ্যা। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তাঁকে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে এলাকার ঝিমিয়ে পড়া উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
মায়ারাম তনচংগ্যার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৯৫ সালে ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন যুবদলের একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ২০০১ সালে ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১০ সালে উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং ২০১৯ সালে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য এবং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৯৮ সালের প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দীর্ঘ সময় পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় আত্মগোপনে থেকেও দলের আদর্শ বিচ্যুত না হওয়া তাঁকে একজন 'পরীক্ষিত নেতা' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বটতলী এলাকার মৃত লাল মোহন তনচংগ্যার সন্তান মায়ারাম তনচংগ্যা শুধু রাজনীতিতেই নয়, জনপ্রতিনিধি হিসেবেও নিজের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের নির্বাচিত এই সদস্য স্থানীয় শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং দরিদ্র মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। ক্রীড়া ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তাঁর সরব উপস্থিতি তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত সহজপ্রাপ্য ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,
"মায়ারাম তনচংগ্যা সবসময় আমাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন। তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁর বিশেষ নজর রয়েছে।" —
মায়ারাম তনচংগ্যা বিশ্বাস করেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি-সম্প্রীতির প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। জেলা পরিষদে তাঁর সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশা অনেক। বিশেষ করে:কাপ্তাইয়ের পর্যটন সম্ভাবনাকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।পাহাড়ি ও সমতলের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, মায়ারাম তনচংগ্যার মতো মাঠপর্যায়ের নেতাকে জেলা পরিষদে মূল্যায়ন করা হলে তা হবে দলের ত্যাগী কর্মীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আর ক্লিন ইমেজের এই নেতাকে ঘিরেই এখন কাপ্তাইয়ের উন্নয়নের সোনালী স্বপ্ন বুনছে সাধারণ মানুষ।
ডিসেম্বর ১৩, ২০২৪
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
রাজধানী | ৮ জুন, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৮ জুন, ২০২৬
পিরোজপুর | ৮ জুন, ২০২৬
খাগড়াছড়ি | ৮ জুন, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৮ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।