এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ভাষা, দেশ কিংবা সংস্কৃতির ভিন্নতা—কোনো সীমানাই ভালোবাসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় ভালোবাসার টানে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশের মাদারীপুরে ছুটে এসেছেন এক তরুণ। সিনেমার গল্পকেও হার মানানো এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভিনদেশি এই প্রেমিককে একনজর দেখতে প্রেমিকার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক শত শত মানুষ।
ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে চাপাতলী গ্রামের কৃষক মোস্তফা বেপারীর কলেজপড়ুয়া মেয়ে হাফিজা আক্তারের সাথে ‘ওয়ার্ল্ড টক’ (World Talk) অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয় হয় চীনের হেনান প্রদেশের যুবক ওয়াং এরলিংয়ের। নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে তাদের মধ্যে সখ্য গড়ে ওঠে, যা একপর্যায়ে রূপ নেয় প্রেমের সম্পর্কে।
অবশেষে ভালোবাসার টানে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে গত ১৫ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছান ওয়াং এরলিং। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর হাফিজার আত্মীয়দের মাধ্যমে প্রথমে তার বোনের বাসায় ওঠেন তিনি। এরপর পরদিন তাকে মাদারীপুরের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে ভিনদেশি যুবকের আগমনের খবর পেয়ে মেয়েটির বাড়িতে যায় থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। সেখানে তার পাসপোর্টসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।
চীনের একটি ওয়ার্কশপে কর্মরত ওয়াং এরলিং জানান, সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি হাফিজাকে বিয়ে করতে চান। প্রয়োজনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতেও তার কোনো আপত্তি নেই। ওয়াং এরলিং বলেন, "আমি নিজ পরিবারের অনুমতি নিয়েই বাংলাদেশে এসেছি। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে হাফিজাকে বিয়ে করতে চাই এবং বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে নিজ দেশে ফিরতে আগ্রহী।"
হাফিজা আক্তার বলেন, "অ্যাপে ওয়াং এরলিংয়ের ছবি দেখে আমার ভালো লাগে। এরপর থেকে নিয়মিত কথা হতো। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে ভালোবাসা তৈরি হয়। পরিবারের সম্মতিতেই আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে আমাকে চীনে নিয়ে যেতে চায়, এতে আমারও কোনো আপত্তি নেই।"
মেয়েটির বাবা মোস্তফা বেপারী বলেন, "আমার ছয় সন্তানের মধ্যে হাফিজা চতুর্থ। সন্তান যেখানে ভালো থাকবে এবং সুখী হবে, সেখানেই আমি বিয়ে দেব। তবে সবকিছুই সামাজিক ও আইনি নিয়ম মেনেই করা হবে।"
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, "সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে চীনা নাগরিকের পাসপোর্ট ও অন্যান্য তথ্যাদি যাচাই করেছে। তবে বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়টি একান্তই তাদের পারিবারিক সিদ্ধান্তের বিষয়।"
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
মাগুরা | ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
রাজবাড়ী | ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।