এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় শারীরিক সম্পর্কের পর সন্তানের পিতৃপরিচয় ও স্ত্রীর মর্যাদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগ উঠেছে রাসেল সরদার নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মর্জিনা বেগম এখন সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
অভিযুক্ত রাসেল সরদার নগরকান্দা উপজেলার বাঙ্গালকান্দা গ্রামের নিরু সরদারের ছেলে। ভুক্তভোগী মর্জিনা একই উপজেলার তালমা ইউনিয়নের মালেক খানের মেয়ে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রাসেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে রাসেল তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। মর্জিনার দাবি, বিয়ের আশ্বাসে প্রলুব্ধ হয়ে তিনি রাসেলের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস শুরু করেন। শুরুতে সদরপুরের কৃষ্ণপুর বাজার সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এবং পরবর্তীতে ঢাকায় রাসেলের মায়ের বাসায় তারা দীর্ঘ সময় একসঙ্গে সংসার করেন।
এই সম্পর্কের জেরে মর্জিনার গর্ভে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু সন্তান জন্মের পরই রাসেলের আচরণে পরিবর্তন আসে। তিনি মর্জিনাকে আইনগতভাবে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে গড়িমসি শুরু করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর মধ্যেই রাসেল গোপনে অন্যত্র বিয়ে করে নতুন সংসার পেতেছেন। এতে মর্জিনা এখন দিশেহারা।
সন্তানের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করা এবং স্ত্রীর ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মর্জিনা। তিনি প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং অসহায় মর্জিনা ও তার সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।