তিস্তায় অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্সের সাঁড়াশি অভিযান: সরঞ্জাম ধ্বংস ও জব্দ
পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে একটি টাস্কফোর্স। বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামানের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ১১টি নৌকা, ৬টি শ্যালো মেশিন এবং ৫টি সিক্স-সিলিন্ডার মেশিন তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে পাথর উত্তোলনের সরঞ্জাম হিসেবে ৪টি নোঙর, ২টি কোদাল, ১টি বেলচা ও ৭টি লোহার টুকরি জব্দ করে টাস্কফোর্স।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির। এছাড়া সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযানে অংশ নেন ডিমলা থানা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর মো. রেজার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এবং বিজিবির বাণীরঘাট বিওপি’র সুবেদার মো. সাইফুজ্জামানের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা।
অভিযান শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিস্তা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। এসব অনিয়ম বন্ধে প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অবৈধ পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রশাসন।
যেসব পরিবর্তন করা হয়েছে:
-
বাক্যের গঠনগত ত্রুটি ও বানান (যেমন- 'তা করে ধ্বংস', 'অংশনেন', 'বেলসা') ঠিক করা হয়েছে।
-
একই শব্দের পুনরাবৃত্তি (যেমন- 'উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া') কমিয়ে আনা হয়েছে।
-
অতিরিক্ত 'এবং' এর ব্যবহার কমিয়ে বাক্যগুলোকে ছোট ও শ্রুতিমধুর করা হয়েছে।
-
লেখায় একটি পেশাদার ও সাবলীল সংবাদ-প্রতিবেদনের ভাব (Journalistic tone) আনা হয়েছে।
What's Your Reaction?
হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান, জলঢাকা প্রতিনিধি, নীলফামারীঃ