এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নীলফামারীর জলঢাকায় এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করানোর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে কিশোর মোহন রায় নামে এক বিএসসি শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি পরীক্ষার্থীদের দিয়ে অন্য পরীক্ষার্থীদের খাতার নম্বরপত্র (গোল ঘর) পূরণ করিয়ে নিচ্ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় অভিভাবক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মীরগঞ্জ হাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে।
রবিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষে বসে রয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক কিশোর মোহন রায়। তার সামনে বসে বিদ্যালয়েরই দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী—যুগল চন্দ্র নাথ ও সিয়াম—গাণিতিক খাতা মূল্যায়ন ও নম্বরপত্রের গোল ঘর পূরণ করছে। সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিকভাবে খাতা দেখা বন্ধ করার নির্দেশ দেন ওই শিক্ষক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক কিশোর মোহন রায় দাবি করেন, তার কাছে টেংগনমারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫০টি এসএসসি গণিত খাতা রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি শিক্ষার্থীদের দিয়ে খাতা কাটাচ্ছি না, কেবল নম্বরপত্রের গোল ঘরগুলো পূরণ করিয়ে নিচ্ছিলাম।”
তবে এমন যুক্তি মানতে নারাজ অভিভাবকরা। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পাবলিক পরীক্ষার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতা এভাবে শিক্ষার্থীদের দিয়ে মূল্যায়ন করা বা এর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। এতে পরীক্ষার্থীদের ফলাফলে প্রভাব পড়ার ঝুঁকি থাকে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।”
মীরগঞ্জ হাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, “শিক্ষার্থীদের দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন বা নম্বরপত্রের কাজ করানো কোনোভাবেই উচিত নয়। তিনি যদি সত্যিই এমনটি করে থাকেন, তবে তা অন্যায় করেছেন।”
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান বলেন, “পাবলিক পরীক্ষার খাতা সংশ্লিষ্ট পরীক্ষক ছাড়া অন্য কারও মূল্যায়ন করার কোনো নিয়ম নেই। যদি কেউ এটি করে থাকেন, তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী বলেন, “বিষয়টি আমি জেনেছি, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
পাবলিক পরীক্ষার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে একজন শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে এবং দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো হচ্ছে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
কুষ্টিয়া | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।