এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের নয়া সড়ক এলাকায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক তাণ্ডব চলেছে। রোববার (২৪ মে) ভোরের এই ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে এলাকার বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রেস্টুরেন্ট। উপড়ে পড়েছে বড় বড় গাছপালা, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি ও তার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে হঠাৎ করেই প্রচণ্ড বেগে ধেয়ে আসে কালবৈশাখী ঝড়। মুহূর্তের মধ্যেই শুরু হওয়া এই তাণ্ডবে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, রাস্তার দুই পাশের বড় বড় গাছ উপড়ে সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় গোটা এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন নয়া সড়ক এলাকার রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নতুনভাবে সাজানো একটি রেস্টুরেন্ট পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঈদের আগেই জাঁকজমকপূর্ণভাবে রেস্টুরেন্টটি উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মালিকপক্ষ; কিন্তু মুহূর্তের ঝড় তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেয়।
ক্ষতিগ্রস্ত ওই রেস্টুরেন্ট মালিক আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "অনেক স্বপ্ন, পরিশ্রম আর অর্থ ব্যয় করে রেস্টুরেন্টটি নতুন করে সাজিয়েছিলাম। ইচ্ছা ছিল ঈদের আগেই এটি চালু করার। কিন্তু কালবৈশাখীর ছোবলে চোখের সামনেই সব লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল।"
তবে এত বড় বিপর্যয়ের পরও হতাশ নন এই ব্যবসায়ী। মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথে তিনি বলেন, "আল্লাহ যা করেন, নিশ্চয়ই মানুষের মঙ্গলের জন্যই করেন। আমরা ভেঙে পড়িনি, বরং নতুন উদ্যমে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করে দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ, ঈদের আগেই এটি পুনরায় উদ্বোধন করতে পারব বলে আশা রাখছি।"
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, ঝড়ে গাছপালা, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হলেও পরম করুণাময়ের অশেষ রহমতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
এলাকার সচেতন মহল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহানুভূতি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সহায়তা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।