এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের দুঃসাহসিক হামলার ঘটনায় অত্যন্ত কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, "জঙ্গল সলিমপুরে কোনোভাবেই রাষ্ট্রের ভেতরে আরেক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে দেওয়া হবে না। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেকোনো পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।"
সোমবার (২৫ মে) সকালে সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিকল্পিত হামলার চিত্র:
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার মধ্যরাতে সন্ত্রাসীরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে নির্মাণাধীন যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প লক্ষ্য করে হামলা চালায়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের চলাচলে বাধা দিতে তারা আগেভাগেই বিভিন্ন স্থানে রাস্তা কেটে এবং মাটি ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এরপর আলীনগর এলাকায় নির্মাণাধীন ক্যাম্পটিতে বুলডোজার দিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। মূলত এলাকায় স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনে বাধা দিতেই সন্ত্রাসীরা এই তাণ্ডব চালায়।
পুলিশের পাল্টা প্রতিরোধ:
হামলার খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা সাহসিকতার সাথে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সন্ত্রাসীরা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করলে আত্মরক্ষার্থে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শর্টগান, চাইনিজ রাইফেল ও গ্যাস গান থেকে মোট ১০৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পুলিশের শক্ত অবস্থানের কারণে সন্ত্রাসীরা শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয়। স্বস্তির বিষয় হলো, এই ভয়াবহ ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্য হতাহত হননি।
বর্তমান পরিস্থিতি ও অভিযান:
ঘটনার পর সোমবার সকালে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় কর্মকর্তাদের কয়েক কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে হয়। বর্তমানে পুরো এলাকায় যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান চলছে। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ১৫ থেকে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে এবং হামলার সাথে তাদের সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে।
অপরাধীদের 'সাম্রাজ্য' ভাঙার প্রত্যয়:
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় দখল, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারিদের অভয়ারণ্য ছিল। অপরাধীরা সেখানে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল। এখন প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে তাদের সেই নিয়ন্ত্রণ হারানোয় তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও জানান, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই এলাকায় পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি, কেন্দ্রীয় কারাগার ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়া হবে। কোনো বাধাই এই উন্নয়ন ও শান্তি ফেরানোর প্রক্রিয়াকে থামাতে পারবে না।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ফরিদপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
বরিশাল | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
বরিশাল | ৮ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।