এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে হোল্ডিং সেন্টার চালুর পর মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৪০০ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে রাজ্য প্রশাসন। আটককৃতদের সবাই ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সর্বোচ্চ আটক বসিরহাটে
রাজ্য প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বসিরহাট পুলিশ জেলায়। সেখানে ৩৩৫ জন কথিত অবৈধ অভিবাসীকে বিভিন্ন বন্যা ত্রাণকেন্দ্রে (তেঁতুলঘাটি, পাথরশাঁতি, চরঘাট ও সুভাষ নগর) রাখা হয়েছে। এছাড়া মালদা, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ দিনাজপুর, বারুইপুর, বারাসাত, কোচবিহার, জঙ্গিপুর, কৃষ্ণনগর ও বনগাঁ পুলিশ জেলাতেও আটক ব্যক্তিদের বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার
আটক ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত এবং নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসনগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে রাজ্য সরকার। হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
কী বলছেন আটককৃতরা?
আটককৃতদের মধ্যে কেরালায় কর্মরত চার শ্রমিকও রয়েছেন, যারা গত ২৬ মে হাকিমপুর সীমান্ত ফাঁড়িতে পৌঁছানোর পর বিএসএফ-এর হাতে আটক হন। তাঁদের একজন মতলেব হোসেন জানান, “কর্তৃপক্ষ আমাদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করেছে। বিএসএফ কর্মকর্তারা আমাদের ভারতে প্রবেশ, কাজ ও বসবাসের স্থানসহ সব বিষয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। আমরা তাঁদের কাছে সব তথ্যই তুলে ধরেছি।”
সীমান্তবর্তী এই পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়েও ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের চেষ্টা চলছে।