এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দেশের আলেম-উলামা ও ইসলামি চিন্তাধারার লেখকদের প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন ‘জাতীয় লেখক পরিষদ’-এর উদ্যোগে ‘গুণীজন সম্মাননা ও জাতীয় লেখক সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর পল্টন টাওয়ারের ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। জাতীয় লেখক পরিষদের সভাপতি সৈয়দ শামছুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দেশের বরেণ্য লেখক, গবেষক ও সাহিত্যিকরা অংশ নেন।
এবারের সম্মেলনে লেখালেখি, সাহিত্য ও গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে ‘গুণীজন সম্মাননা-২০২৬’ প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণীজনরা হলেন—
১. মাওলানা লিয়াকত আলী (সাংবাদিকতা ও সাহিত্যাঙ্গনে অসামান্য অবদান এবং নতুন লেখক তৈরির কারিগর)।
২. মাওলানা ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী (শিশুসাহিত্যে বিশেষ অবদান)।
৩. মাওলানা মুসা আল হাফিজ (ইতিহাস, দর্শন, গবেষণা ও রাষ্ট্রচিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান)।
অনুষ্ঠানে গুণীজনদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিরা।
জাতীয় লেখক পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা মাঈনুদ্দীন ওয়াদুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা রবিউল ইসলাম। এরপর মনোজ্ঞ ইসলামি সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী আব্দুল্লাহ আল হাসিব।
সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ শামছুল হুদা বলেন, "ইসলামি সাহিত্য, গবেষণা ও সৃজনশীল লেখালেখিকে সমৃদ্ধ করতে লেখকদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। নতুন প্রজন্মের লেখকদের দক্ষতা উন্নয়ন, মানসম্পন্ন গ্রন্থ রচনা এবং ইসলামি জ্ঞানচর্চাকে সমাজের সব স্তরে ছড়িয়ে দিতে জাতীয় লেখক পরিষদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে।"
সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তারা বলেন, কলমের মাধ্যমে সমাজে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও ইসলামি আদর্শ প্রতিষ্ঠায় লেখকদের দায়িত্ব অপরিসীম। দেশ ও জাতির কল্যাণে তথ্যভিত্তিক, দায়িত্বশীল ও গবেষণাধর্মী লেখালেখির ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নতুন লেখকদের উৎসাহিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা, সাহিত্য সেমিনার ও সম্মাননা প্রদানের ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট লেখক ও ইতিহাসবিদ মাওলানা মনযূর আহমদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গবেষণা পরিচালক ড. ওয়ালীউর রহমান খান আজহারী, শিকড় সাহিত্য মাহফিলের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা লাবিব আব্দুল্লাহ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি আব্দুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাসরুরুল হাসান এবং জাতীয় লেখক পরিষদের সাবেক সভাপতি মুফতি জহির ইবনে মুসলিম।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত লেখক, গবেষক ও সাহিত্যিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— মাওলানা কামরুল হাসান রহমানী, মাওলানা রুহুল আমীন সাদী, শায়খ মুহাম্মদ উসমান গনি, হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ, সবার খবর সম্পাদক মাওলানা আবদুল গাফফার, রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা আফজাল হোসাইন, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা উবাইদুল্লাহ শাকির, মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী, ক্যালিগ্রাফার হা মীম কেফায়েত, অ্যাডভোকেট মুফতি আল আমীন, মুফতী আব্দুল কাইয়ুম শেখ, আব্দুল্লাহ আল মামুন আশরাফী, সানাউল্লাহ খান, মুহিব ইমতিয়াজ, কামাল উদ্দীন ফারুকী, সাজ্জাদ শরীফ, মাহমুদুল হক জালিস, মাওলানা মাহমুদুল হাসানসহ আরও অনেকে।
প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই সম্মেলন উপস্থিত লেখক ও সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
জুলাই ১০, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১৯ জুলাই, ২০২৬
বরিশাল | ১৯ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৯ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৯ জুলাই, ২০২৬
ক্যাম্পাস | ১৯ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।