এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র জ্বালানি অবরোধের মুখে পড়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো দেশব্যাপী বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ কিউবা। গত শুক্রবার (১০ জুলাই) দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ায় দেশজুড়ে চরম অন্ধকার নেমে আসে।
কিউবার বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থা ইউনিয়ন ইলেকট্রিকা (ইউএনই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। তবে কী কারণে এই আকস্মিক বিপর্যয় ঘটেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে গত ৬ জুলাইও কিউবায় একইভাবে দেশব্যাপী তীব্র বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এক সপ্তাহের মাথায় আবারও অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো দেশটি।
চরম সংকটে কিউবার অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ খাত
কিউবা বর্তমানে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সংকটের অন্যতম প্রধান বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। তীব্র জ্বালানি ঘাটতি এবং জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কারণে দেশটিতে বারবার গ্রিড বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটছে।
দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে কিউবার সামগ্রিক অর্থনীতি মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে দৈনিক গড়ে প্রায় ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিং হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যুতের মোট ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯৫৫ মেগাওয়াটে।
সংকটের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নীতি
কিউবা সরকার তাদের এই চরম বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অবরোধ ও বৈরী নীতিকে দায়ী করেছে। হাভানার অভিযোগ, ওয়াশিংটন কিউবার তেল সরবরাহে ইচ্ছাকৃতভাবে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এর পাশাপাশি কিউবার সঙ্গে যেসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করছে, তাদের ওপর অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমনকি আন্তর্জাতিক ঋণ এবং অর্থায়নের ক্ষেত্রেও কিউবার প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণ সীমিত করে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
চলতি বছরের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়, কিউবায় দমনপীড়ন এবং মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকির অজুহাতে দেশটির কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সংস্থার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই সংক্রান্ত একটি বিশেষ নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরও করেছেন।
এর আগে গত জানুয়ারি মাসেও ট্রাম্প আরেকটি বিতর্কিত নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে যেসব দেশ কিউবার কাছে জ্বালানি তেল সরবরাহ বা বিক্রি করবে, তাদের উৎপাদিত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত মার্কিন শুল্ক আরোপের একটি বিশেষ আইনি ব্যবস্থা চালু করা হয়। মার্কিন প্রশাসনের এসব কঠোর পদক্ষেপের ফলেই কিউবার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট এখন চরম সীমায় পৌঁছেছে।
এপ্রিল ১৩, ২০২৬
জুলাই ২, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
রাজনীতি | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
নওগাঁ | ১২ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।