এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি খাল দখল করে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার তালমা ইউনিয়নের গাং তালমা এলাকায় এই দখলের ঘটনায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এতে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তালমা নাজিমুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত খালটি ওই এলাকার কৃষির প্রাণ। বর্ষা মৌসুমে এই খাল দিয়ে শত শত একর ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করে এবং মৌসুম শেষে পানি পুনরায় নদীতে নেমে যায়। কিন্তু সম্প্রতি একই এলাকার বাসিন্দা রফিক মৃধার মেয়ে ছনিয়া আক্তার ও তার স্বামী আলমগীর হোসেন খালের জায়গা দখল করে স্থায়ী পাকা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছেন।
এলাকার ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, খালটি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে এর প্রশস্ততা কমে গেছে। এতে বর্ষায় জমিতে পানি প্রবেশ এবং জমি থেকে পানি নিষ্কাশন—উভয় ক্ষেত্রেই মারাত্মক বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। পানি সময়মতো না নামায় কৃষকরা নির্ধারিত সময়ে ফসল রোপণ ও ঘরে তুলতে পারছেন না। কৃষিকাজ চরমভাবে ব্যাহত হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনের স্ত্রী ছনিয়া আক্তার বলেন, "আমরা শুধু গরু-ছাগল পালনের জন্য খালের ওপর একটি পাকা ঘর নির্মাণ করছি। এতে পানি চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।"
এ বিষয়ে তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "সরকারি খাল দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হলে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।"
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গে তালমা ইউনিয়নের তহসিলদার (ভূমি সহকারী কর্মকর্তা) মোশাররফ হোসেন বলেন, "খাল দখলের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এরপরও যদি তারা নির্দেশ অমান্য করে পুনরায় কাজ শুরু করে, তবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে অবহিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
কৃষি ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খালটি সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করার এবং এর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
বান্দরবান | ১৬ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৬ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৬ জুলাই, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১৬ জুলাই, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১৬ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।