এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে কিছুটা গতি ফিরে এলেও, অভিযানে গিয়ে একের পর এক হামলার ঘটনায় পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের মনোবল ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ১ মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযান চলাকালেও থেমে নেই এ ধরনের হামলা।
চলতি মাসে নাজুক পরিস্থিতি
চলতি মে মাসের ২৩ তারিখ পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের ৯টি জেলায় অন্তত ১৩টি স্থানে পুলিশ ও র্যাবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ৩২ জন সদস্য আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চারটি হামলা হয়েছে নারায়ণগঞ্জে। সবশেষ শুক্রবার বরিশালের উজিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে হামলায় ডিবির এক কনস্টেবল ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত হয়েছেন। এছাড়া সিলেটে র্যাবের এক সদস্য এবং চট্টগ্রামে কর্তব্যরত অবস্থায় ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্যের মৃত্যুর ঘটনা বাহিনী দুটির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
হামলার নেপথ্যে কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও ‘মব জাস্টিস’-এর মতো ঘটনার প্রবণতা বেড়েছে। মামলা, সংযুক্তি বা চাকরি হারানোর আতঙ্কে থাকা অনেক পুলিশ সদস্য এখন আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এক ধরনের দোদুল্যমানতায় ভুগছেন। এই সুযোগে অপরাধীরা নিজেদের শক্তিশালী মনে করছে এবং পুলিশকে দুর্বল ভেবে হামলা চালাচ্ছে।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের ডিন ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক বলেন, “পুলিশের ওপর আস্থা সংকট ও বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আধুনিক প্রশিক্ষণের অভাবে এমন ঘটনা ঘটছে। তথ্য সংগ্রহে সমন্বয়হীনতা এবং পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া অভিযানে যাওয়াও ঝুঁকির বড় কারণ।”
দায়িত্বশীলদের বক্তব্য
পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খন্দকার রফিকুল ইসলাম স্বীকার করেছেন যে, মাঠ পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। তিনি বলেন, “আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে অনেক সময় পুলিশ জবাবদিহির ভয়ে থাকে। তবে আমরা ফোর্সদের মনোবল শক্ত করার বার্তা দিয়েছি। প্রতিটি হামলার ঘটনার পর কঠোর মামলা দায়ের ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।”
পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাদারি সক্ষমতা বাড়াতে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরিসংখ্যান যা বলছে
পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকেই হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ৪২টি করে হামলার মামলা হলেও মার্চে তা বেড়ে ৬৩ এবং এপ্রিলে ৬৬টিতে দাঁড়িয়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল ৬০১টি।
অভিযানের সময় পুলিশকে আরও সতর্ক থাকার পাশাপাশি আধুনিক প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা, যাতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আর প্রাণ বা শারীরিক ক্ষতির শিকার হতে না হয়।
ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
অক্টোবর ৬, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
নওগাঁ | ৬ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।