এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বর্তমান সরকারের মধ্যে ‘নতুন এস আলম ও সালমান এফ রহমান’ হওয়ার এক অশুভ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কারা নতুন করে বেক্সিমকো বা এস আলম গ্রুপ হিসেবে আবির্ভূত হবে, তা অচিরেই জনগণের সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে এনসিপির ‘ছায়া বাজেট কমিটি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার মূল বিষয় ছিল—‘বৈশ্বিক অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের বাজেট: কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও সংস্কারে অগ্রাধিকার এবং জনপ্রত্যাশার বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’।
ব্যাংকিং খাতে লুটপাট ও বৈষম্য
নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে বিগত ১৬ বছরের ব্যাংকিং খাতের নজিরবিহীন দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “বিগত বছরগুলোতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও পরিবারকে ঋণের নামে বিপুল অর্থ দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তীতে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম বর্তমান সরকার এই সংস্কৃতির অবসান ঘটাবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, সরকারের ভেতরেই নতুন প্রভাবশালী সিন্ডিকেট তৈরির প্রতিযোগিতা চলছে।”
তিনি ঋণের দায়ে সাধারণ কৃষকদের ওপর নিপীড়নের সমালোচনা করে বলেন, “বড় বড় কর্পোরেট গোষ্ঠী রাজনৈতিক প্রভাবে হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা শোধ করছে না। অথচ মাত্র পাঁচ হাজার টাকা ঋণের জন্য একজন দরিদ্র কৃষকের কোমরে দড়ি বেঁধে জেলে নেওয়া হচ্ছে। এমন বৈষম্য একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে বড় বাধা।”
বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সরকার আগে বলেছিল নির্বাচিত সরকার এলে বিদেশি বিনিয়োগের ঢল নামবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে সক্ষমতা দেখিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার তার ধারেকাছেও নেই। এমনকি তারা আইএমএফের ঋণ নিশ্চিত করতেও হিমশিম খাচ্ছে।” তিনি আরও যোগ করেন, আগে দেশীয় ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জন করতে হবে; তারা বিনিয়োগ না করলে বিদেশিরা এগিয়ে আসবে না।
রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও সংস্কার
সরকারের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় এই হুইপ বলেন, “প্রথম অধিবেশনে জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সরকার তার কিছুই রক্ষা করেনি। রাজনৈতিক সংস্কার ছাড়া প্রকৃত অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব নয়।”
তবে দেশের অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ বর্তমানে যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা কোনো একক সরকারের পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। একটি সংস্কারমুখী ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট প্রণয়নে আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই, যাতে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন করা সম্ভব হয়।”
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ৬ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ৬ জুলাই, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৬ জুলাই, ২০২৬
বরিশাল | ৬ জুলাই, ২০২৬
খাগড়াছড়ি | ৬ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।