এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বৈরিতা নিরসনে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত ‘ইসলামাবাদ শান্তি আলোচনা’ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত করার একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল। সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি জানান, গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে নিবিড় এবং দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশ একটি টেকসই চুক্তির ‘একেবারে কাছাকাছি’ অবস্থানে ছিল।
তবে আলোচনার শেষ পর্যায়ে এসে কেন কোনো চুক্তি হলো না, তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। আরাগচির অভিযোগ, আলোচনার শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘অতিরিক্ত দাবি’ উত্থাপন এবং বারবার ‘শর্ত পরিবর্তন’ করার ফলে একটি অচলাবস্থা তৈরি হয়। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, "ইতিহাস থেকে কোনো শিক্ষা নেওয়া হয়নি। সদিচ্ছা থেকেই কেবল সদিচ্ছার জন্ম হয়, আর শত্রুতা কেবল শত্রুতাকেই বাড়িয়ে তোলে।"
এদিকে, চুক্তি সম্পন্ন না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পথ এখনো খোলা আছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সব ধরনের বাধা সত্ত্বেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
রোববার (১২ এপ্রিল) এক পোস্টে পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের স্বৈরতান্ত্রিক বা একগুঁয়ে মনোভাব ত্যাগ করে এবং ইরানের জনগণের ন্যায্য অধিকারকে সম্মান জানায়, তবে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি হওয়া এখনো সম্ভব। তিনি দীর্ঘ আলোচনার জন্য ইরানের প্রতিনিধিদলকে অভিনন্দন জানান এবং তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ব্যাপী এক ম্যারাথন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতা ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়েছে, তবে আরাগচির এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এর আগে ইসলামাবাদ বৈঠক শেষে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছিল। বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই কূটনৈতিক টানাপড়েনের দিকে নজর রাখছে পুরো বিশ্ব।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বরিশাল | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
রাজবাড়ী | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।