এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি ইসলামিক ওয়াকফ পরিচালিত মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র ও ঐতিহাসিক নিদর্শন ‘নবী সুলাইমান (আ.)’ [ঐতিহাসিকভাবে নবী সামউইল নামে পরিচিত]-এর সমাধিস্থল ও মসজিদ কমপ্লেক্স দখলের আদেশ জারি করেছে ইসরায়েল[1][2]। সম্প্রতি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ওই এলাকার প্রায় ২৮ একর (১১০ দুনাম) জমি অধিগ্রহণ করার ঘোষণা দেয়[1]。 এই ভূমির সীমানার মধ্যেই ফিলিস্তিনি শহর ‘বেইত ইক্সা’ এবং এই ঐতিহাসিক মসজিদটি অবস্থিত[1]。
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ইউনিটের অধীনস্থ বেসামরিক প্রশাসন জানিয়েছে, এলাকাটি তথাকথিত ‘জনস্বার্থে’ দখল করা হচ্ছে[1]। তেল আবিবের দাবি, প্রত্নতাত্ত্বিক এই স্থানটি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য তারা একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে[1]।
তবে ফিলিস্তিনি বিশ্লেষক ও ইতিহাসবিদরা ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের মতে, এটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও ইসলামি ঐতিহ্যকে জোরপূর্বক ‘ইহুদীকরণ’ করার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ[1][3]。 উল্লেখ্য, এই পবিত্র ভূমিটি মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদি—তিন ধর্মের অনুসারীদের কাছেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ[1]।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
জেরুজালেম শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮৮৫ মিটার উঁচুতে একটি পাহাড়ের চূড়ায় এই ঐতিহাসিক স্থানটি অবস্থিত। বাইজেন্টাইন যুগে সম্রাট জাস্টিনিয়ান এখানে একটি গির্জা নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে মুসলিম শাসনামলে সেখানে বিভিন্ন ইসলামি স্থাপত্য ও ধর্মীয় স্থাপনা গড়ে তোলা হয়।
বর্তমানে সেখানে যে প্রাচীন মসজিদটি রয়েছে, তাতে মুসলিম ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল আইয়ুবী ও মামলুক আমলের স্থাপত্যশৈলী বিদ্যমান। মসজিদের ভেতরেই রয়েছে একটি পবিত্র সমাধি, যা মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী নবী সুলাইমান (আ.)-এর কবর বা স্মারক সমাধিস্থল।
মানচিত্র ও ভূরাজনীতি বিষয়ক ফিলিস্তিনি বিশেষজ্ঞ খলিল তুফাকজি গণমাধ্যম ‘মিডল ইস্ট আই’-কে জানান, “এই ভূমি ও স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণভাবে ইসলামিক ওয়াকফের সম্পত্তি। এটি মূলত ঐতিহাসিক আলামি পরিবারের একটি বংশানুক্রমিক ওয়াকফ হিসেবে সংরক্ষিত ছিল।”
ক্রমান্বয়ে জবরদখলের ইতিহাস
১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর পশ্চিম তীর দখলের পর থেকেই এই পবিত্র স্থানটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করে ইসরায়েল[1][4]। বছরের পর বছর ধরে নানা অজুহাতে তারা এই প্রাচীন মসজিদের চারপাশের পরিবেশ ও কাঠামো পরিবর্তন করে চলেছে। এমনকি মসজিদের ভূগর্ভস্থ কক্ষে—যেখানে মূল সমাধিস্থলটি অবস্থিত—সেখানে জোরপূর্বক একটি ইহুদি সিনাগগ স্থাপন করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পর্যায়ক্রমে মুসলিমদের নামাজ আদায়ের জায়গা সংকুচিত করে আনা হয়েছে এবং অত্যন্ত সুপরিকল্পিত উপায়ে সম্পূর্ণ স্থাপনাটির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিচ্ছে ইসরায়েলি প্রশাসন।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১১ জুলাই, ২০২৬
বান্দরবান | ১১ জুলাই, ২০২৬
বান্দরবান | ১১ জুলাই, ২০২৬
নীলফামারী | ১১ জুলাই, ২০২৬
রাজবাড়ী | ১১ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।