এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আর্থিক খাতের বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্ব এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর নবনিযুক্ত বিশেষ সহকারী তানভীর গনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। বৈশ্বিক পুঁজিবাজারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা গভীর করা এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছেন তিনি।
তানভীর গনি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা, পুঁজিবাজার এবং কৌশলগত পরামর্শ প্রদানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তিত্ব। বর্তমানে তিনি হংকং-ভিত্তিক উদীয়মান বাজার বিনিয়োগকারী ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান 'দ্য ওসিরিস গ্রুপ' (The Osiris Group)-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বরত। এর আগে তিনি টাইবোর্ন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট (Tybourne Capital Management)-এ প্রেসিডেন্ট ও চিফ অপারেটিং অফিসার (COO) সহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বদানকারী পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানে হংকং, সান ফ্রান্সিসকোসহ বৈশ্বিক বাজারে প্রযুক্তি, ফিনটেক এবং বায়োটেক খাতে বিনিয়োগ কৌশলে তার বিশেষ অবদান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে তানভীর গনির প্রধান লক্ষ্য হবে বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগের ব্যবধান কমিয়ে আনা। বেসরকারি খাতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, নীতিমালার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে ভূমিকা রাখবেন।
বাংলাদেশকে একটি প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-সহ দেশের প্রধান অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করবেন।
বাংলাদেশ যখন একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি বা 'ব্রেকআউট নেশন' হিসেবে নিজেকে গড়ার পথে রয়েছে, তখন তানভীর গনি প্রথাগত খাতের বাইরে বিনিয়োগের বহুমুখীকরণে মনোযোগ দিচ্ছেন। আর্থিক পরিকল্পনার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি আন্তর্জাতিক মানের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দেবেন।
নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে তানভীর গনি বলেন, “বাংলাদেশ এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। কেবল সম্ভাবনার দেশ থেকে বৈশ্বিক আস্থার দেশে পরিণত হতে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষতা প্রয়োজন।” তিনি আরও যোগ করেন, “স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, ধারাবাহিক নীতি বাস্তবায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের সাথে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চাই, যা দেশের টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।”
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
মাগুরা | ১১ জুলাই, ২০২৬
পঞ্চগড় | ১১ জুলাই, ২০২৬
কিশোরগঞ্জ | ১১ জুলাই, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১১ জুলাই, ২০২৬
পিরোজপুর | ১১ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।