এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
এক নজিরবিহীন ও ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। গতকাল শনিবার ভোরে তেহরানে তাঁর নিজ দপ্তরে ‘দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়’ ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ হামলায় তিনি নিহত হন। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে এই মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেছে।
আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যু কেবল ইরানের জন্য নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক অপূরণীয় ক্ষতি ও বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিনি কেবল একজন প্রথাগত ধর্মীয় নেতা ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন আধুনিক ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ক্ষমতার মূল স্তম্ভ।
রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী
অনেকেই আয়াতুল্লাহ খামেনিকে স্রেফ একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে মনে করলেও, বাস্তব চিত্রে তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। সরকারের প্রধান নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক—সবক্ষেত্রেই তাঁর সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত। ইরানের অর্থনীতি, সমাজব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল দিকনির্দেশক ছিলেন তিনি। মূলত রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত থেকে তিনি কয়েক দশক ধরে ইরানকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।
ঐশী কর্তৃত্ব ও সাংবিধানিক অবস্থান
ইরানের সংবিধান, যা শিয়া রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে রচিত, সেখানে সর্বোচ্চ নেতার অবস্থানকে অনন্য উচ্চতায় রাখা হয়েছে। এই সংবিধান অনুযায়ী খামেনি কেবল ইরানের ভৌগোলিক সীমানার নেতা ছিলেন না; বরং তাঁকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
তাত্ত্বিকভাবে তাঁর ওপর ন্যস্ত ছিল বিশেষ ‘ঐশী অধিকার’ বা ডিভাইন রাইটস। এই বিশেষ ক্ষমতার কারণে সংবিধানের ঊর্ধ্বে থেকেও তাঁর জারি করা প্রতিটি আদেশ ও নির্দেশ ইরানি জনগণের জন্য আইনত ও ধর্মীয়ভাবে বাধ্যতামূলক ছিল। অর্থাৎ, তিনি এমন একজন নেতা ছিলেন যাঁর কর্তৃত্বের বৈধতা কেবল সংসদ বা সংবিধান থেকে আসেনি, বরং সেই সংবিধানই তাঁকে এক উচ্চতর ঐশী ও রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আসনে বসিয়েছিল।
আয়াতুল্লাহ খামেনির এই আকস্মিক প্রস্থান ইরানের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। তাঁর মৃত্যুর পর দেশটির পরবর্তী নেতৃত্ব এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে এখন সারা বিশ্বে উদ্বেগ ও জল্পনা ছড়িয়ে পড়ছে।
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫
জুলাই ২৬, ২০২৬
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
পিরোজপুর | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
ময়মনসিংহ | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।