এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও রাঙ্গামাটি ২৯৯ নং আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানের হঠাৎ পদত্যাগের ঘটনায় পার্বত্য অঞ্চলের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তাঁর পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার এবং তাঁকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবি এখন রাজপথ থেকে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।
এই পরিস্থিতিতে সাবেক মন্ত্রীর পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে কথা বলেছেন কাপ্তাই উপজেলার চিৎমরম ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হলা সুই মং মারমা (মং)। শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে তিনি দীপেন দেওয়ানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
হলা সুই মং মারমা বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় দীপেন দেওয়ান সবসময় নিবেদিতপ্রাণ। দল-মত নির্বিশেষে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ তাঁর স্বচ্ছ রাজনীতি ও নেতৃত্বের ওপর গভীর আস্থা রাখে। মাত্র তিন মাসের মাথায় তাঁর এমন সরে দাঁড়ানো পাহাড়বাসীকে হতাশ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঠিক প্রতিফলনের জন্য এই মুহূর্তে দীপেন দেওয়ানের মতো একজন অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর অনুপস্থিতি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা তৈরি করতে পারে এবং অর্জিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।”
সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে চিৎমরম ইউনিয়নের এই বিএনপি নেতা জনগণের আবেগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ অনুরোধ জানান। তিনি পার্বত্যবাসীর বৃহত্তর স্বার্থে দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে তাঁকে পুনরায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে পুনর্বহাল করার জন্য আকুল আহ্বান জানান।
এদিকে, রাঙ্গামাটির বিভিন্ন স্থানে দীপেন দেওয়ানের পুনর্বহালের দাবিতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। এলাকাবাসীর মতে, এটি কেবল স্থানীয় বিএনপি নেতার বক্তব্য নয়, বরং এটি পাহাড়ের আপামর জনসাধারণের মনের কথা।
এখন দেখার বিষয়, জনগণের এই আবেগ ও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার পরবর্তী সময়ে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
নীলফামারী | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পিরোজপুর | ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।