এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ঝড়ো হাওয়ায় গাছ উপড়ে বৈদ্যুতিক পিলারের ওপর পড়ায় দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল কাপ্তাই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। গতকাল ২৭ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক সংলগ্ন ব্যাঙছড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ প্রচেষ্টা শেষে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। তবে ঈদের মতো বড় উৎসবের অব্যাবহিত পূর্বে এই দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে একটি বড় গাছ উপড়ে সড়কের পাশের বৈদ্যুতিক পিলারের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে পিলারটি ভেঙে গিয়ে মুহূর্তের মধ্যে কাপ্তাইয়ের বড়ইছড়ি, শিলছড়ি, নোয়াপাড়া, মিতিঙাছড়ি, কাপ্তাই উপজেলা সদর, ব্যাঙছড়ি ও রেশম বাগানসহ অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
নতুন পিলার স্থাপন এবং তারের সংযোগ পুনর্স্থাপন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। ফলে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু করে আজ ঈদের দিন সকাল ১০টা ১২ মিনিট পর্যন্ত পুরো এলাকা অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল।
ঈদের আগের দিন ও ঈদের সকালে এমন দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কাপ্তাইয়ের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "গত বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের হার অস্বাভাবিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। ঈদের নামাজ, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের কথা চিন্তা করে হলেও বিদ্যুৎ বিভাগের বিশেষ প্রস্তুতি রাখা উচিত ছিল। অথচ ঈদের আগের দিন থেকে ঈদের দিন সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের কোরবানির প্রস্তুতিসহ প্রতিটি ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে।"
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে। নেটিজেনদের অনেকেই অভিযোগ করে লিখেছেন, সামান্য ঝড়ো হাওয়ায় একটি গাছ পড়ে পিলার ভাঙার পর তা মেরামত করতে ২৩ ঘণ্টা লাগা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। চন্দ্রঘোনা আবাসিক প্রকৌশল দপ্তরে দক্ষ শ্রমিক ও কর্মচারীর অভাবের কারণেই এই সামান্য সমস্যা সমাধানে এত দীর্ঘ সময় লেগেছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই সংকটের দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে আগামীতে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা আভাস দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রকৌশলী তৌফিক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "কাপ্তাইয়ে টানা ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়েছি। আকস্মিক এই দুর্ঘটনার পর থেকে আমাদের কর্মীরা লাইন সচল করতে নিরলস কাজ করেছেন।"
দুর্ঘটনার কারণে সৃষ্ট এই সাময়িক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে যেন এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদ্যুৎ বিভাগ আরও বেশি তৎপর ও দক্ষ ভূমিকা পালন করে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নোয়াখালী | ১২ জুলাই, ২০২৬
বান্দরবান | ১২ জুলাই, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১২ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ১২ জুলাই, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ১২ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।