এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বর্তমান সরকারের অন্যতম উদ্ভাবনী উদ্যোগ ‘কৃষক কার্ড’-এর সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি জানিয়েছেন, কার্ডে নির্ধারিত সেবার বাইরেও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন সুবিধা যুক্ত করা হবে।
রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিকে একটি সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “কৃষক কার্ড কৃষকের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কেবল সহায়তা প্রদানই নয়, বরং কৃষকদের আধুনিক সব সেবা পৌঁছে দিয়ে কৃষি খাতকে জাতীয় অর্থনীতির আরও শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে পরিণত করা হবে।”
মন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ড চালুর ফলে দেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজের আওতায় আসবে। এতে সারের অপচয় রোধ হবে, উৎপাদন পরিকল্পনা আরও নিখুঁত হবে এবং সার্বিকভাবে কৃষকের আর্থিক ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, “সরকার গঠনের পরপরই প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি কৃষকের জন্য একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পেমেন্ট উপযোগী কার্ড প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে।”
কৃষক কার্ডে যেসব সুবিধা পাচ্ছেন কৃষকরা:
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কার্ডধারী কৃষকরা সংশ্লিষ্ট ডিলার পয়েন্টে স্থাপিত মেশিনের মাধ্যমে সার, বীজ, মৎস্য ও প্রাণিখাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ সহজে ক্রয় করতে পারবেন। এছাড়া কার্ডের মাধ্যমে যেসব বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে:
ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ ও সেচ সুবিধা।
সহজ শর্তে কৃষি ঋণ এবং স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি।
সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা সরাসরি গ্রহণ।
মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার দর সংক্রান্ত তথ্য।
কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ।
কৃষি বিমা সুবিধা ও উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের জন্য ন্যায্য মূল্যের বাজার।
পরিশেষে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের কৃষি জমির উর্বরতা ও ফসলের বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে বাংলাদেশের আগামীর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার কৃষকের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩১ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩১ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ৩১ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ৩১ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৩১ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।