এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি যদি চায় তিনি দায়িত্ব পালন করুন, তবেই তিনি স্বপদে বহাল থাকবেন। অন্যথায়, দলটির অনাগ্রহ থাকলে তিনি নিজেই ‘সম্মানজনকভাবে’ পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।
সম্প্রতি দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। দুই পর্বের এই সাক্ষাৎকারের শেষ অংশ আজ প্রকাশিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি তার ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও মানসিক চাপের কথাও অকপটে স্বীকার করেন। বিদেশি গণমাধ্যমে আগে দেওয়া তার একটি মন্তব্য—‘আমি আর এখানে থাকতে চাই না’—প্রসঙ্গে তিনি ব্যাখ্যা দেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, "গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে আমি বিভিন্নভাবে মানসিক চাপের সম্মুখীন হয়েছি এবং নানা ঘটনায় অপমানিত বোধ করেছি। সেই অভিমান থেকেই বলেছিলাম যে, এভাবে রাষ্ট্রপতি থাকা যায় না, চলে যেতে ইচ্ছা করে।"
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, সেদিনের জনবিস্ফোরণ ছিল অভাবনীয়। তিনি জানান, দুপুর পর্যন্তও কারো ধারণা ছিল না যে কী ঘটতে যাচ্ছে। ১২টার দিকে তাকে জানানো হয়েছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে আসছেন। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরই খবর আসে যে তিনি আসছেন না এবং দেশত্যাগ করেছেন। মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে পুরো দৃশ্যপট বদলে যায়।
রাষ্ট্রপতি আরও জানান, সেদিন বিকেল ৩টার দিকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান টেলিফোনে তাকে পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে জানান। এরপর তিন বাহিনীর প্রধানগণ বঙ্গভবনে এসে জরুরি আলোচনায় বসেন। পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা দেশ কোন পথে চলবে, তা নিয়ে ব্যাপক আলাপ-আলোচনা হয়।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, "বঙ্গভবনের সেই বৈঠকে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে প্রধানত তিনটি প্রস্তাব আসে—তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জাতীয় সরকার অথবা অন্তর্বর্তী সরকার। দীর্ঘ আলোচনার পর দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সবাই ‘অন্তর্বর্তী সরকার’ গঠনের বিষয়ে একমত হন।"
সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পর রাত ১১টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, দেশের ক্রান্তিলগ্নে মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। আর সরকারের পরবর্তী রূপরেখা নির্ধারণের দায়িত্ব রাজনৈতিক দল ও সেনাবাহিনীর ওপর ন্যস্ত করা হয়।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
কুষ্টিয়া | ১০ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ জুলাই, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ জুলাই, ২০২৬
খাগড়াছড়ি | ১০ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।