জলঢাকায় ভুয়া আহত দেখিয়ে সরকারি ভাতা গ্রহণের অভিযোগ
জুলাই আন্দোলনে ভুয়া আহত দেখিয়ে সরকারি ভাতা গ্রহণের তালিকায় গুরুতর অনিয়ম ও বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর জলঢাকায়।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) “জুলাই বিক্রেতা বিরোধী ঐক্য, জলঢাকা” এর উদ্যোগে সংগঠনের আব্দুল্লাহ আল হাদী, মনিরুজ্জামান মিঠু, ইকবাল জিয়াদ ও আদম শাহরিয়ার এর নেতৃত্বে একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিনের নিকট প্রদান করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জুলাই আন্দোলনে জলঢাকা উপজেলা থেকে মোট ২৪ জনকে আহত হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী ৬ জন ঢাকায়, ২ জন রংপুরে এবং বাকি ব্যক্তিরা জলঢাকায় আহত হয়েছেন বলে দেখানো হয়েছে। তবে অভিযোগ
কারীদের দাবি,জলঢাকায় প্রকৃত পক্ষে ৩ থেকে ৪ জনের বেশি কেউ আহত হননি। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে ঘটনার সময় কিংবা ঘটনার পরবর্তীতেও তালিকাভুক্ত অনেক ব্যক্তিকে কোথাও আহত অবস্থায় দেখা যায়নি। এতে করে প্রকৃত আহতরা যেমন সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি ভুয়া তালিকার মাধ্যমে সরকারি অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তারা ভুয়া তালিকাটি পুনরায় যাচাই-বাছাই, করে প্রকৃত আহতদের শনাক্ত করা এবং ভুয়া আহত সেজে সরকারি ভাতা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।
“জুলাই বিক্রেতা বিরোধী ঐক্যের জিয়াদ বলেন,ভুয়া আহত দেখিয়ে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি ভাতা গ্রহণ করা হলে তা প্রকৃত আহতদের প্রতি চরম অবিচার এবং রাষ্ট্রীয় অর্থের সরাসরি অপচয়। অবিলম্বে ভুয়া তালিকা ও সংশ্লিষ্ট গেজেট বাতিল না হলে বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।।
এ বিষয়ে সংগঠনের মনিরুজ্জামান মিঠু বলেন,“ভুয়া আহত দেখিয়ে ভাতা নেওয়া শুধু অনৈতিকই নয়, এটি প্রকৃত আহতদের সঙ্গে নির্মম প্রতারণা এবং সরকারি অর্থের আত্নসাৎ।”
এ ঘটনায় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ভুয়া তালিকা ও গেজেট বাতিল হবে এবং প্রকৃত আহতরা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি
বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হবে।
What's Your Reaction?
মোঃ নাজমুল হোসেন,জেলা প্রতিনিধি, পিরোজপুরঃ