এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে—এমন আশাবাদের কথা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (৬ জুলাই) সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি—জনগণ নির্বাচন চায়। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, সেই লক্ষ্যেই দেশ এগিয়ে যাবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়—এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নির্বাচন আদৌ ফেব্রুয়ারিতে হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। এর জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, জাতীয় সংস্কার কমিশনে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, তার পরিসংখ্যান বিএনপির হাতে আছে। তিনি বলেন, ‘সংস্কারের বিষয়ে আমরা ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছি।’
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জুলাই সনদের মতামত আমরা বহু আগেই দিয়েছি। অন্য কেউ দিচ্ছে না বলে বিএনপির কোনো দায় নেই। যারা দেরি করছে, দায় তাদের।’
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘স্বৈরাচার বা ফ্যাসিজমের পুনরুৎপত্তি যেন না হয়, সে জন্যই আমরা স্পষ্ট করে বলেছি—একজন ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। আমাদের স্ট্যান্ডিং কমিটির সিদ্ধান্ত এটাই।’
সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) ব্যবস্থা প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘গণতন্ত্রের মতো পিআরও একটি ধারণা। কিন্তু যারা এ ব্যবস্থার কথা বলছেন, তারা নিজে কী ধরনের পিআর চান—তা ব্যাখ্যা করছেন না। বিভিন্ন দেশে পিআর বিভিন্নভাবে প্রয়োগ হয়। তাই বাংলাদেশের বাস্তবতায় এটি কীভাবে কার্যকর হবে, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই রাষ্ট্র জনগণের, সিদ্ধান্ত গ্রহণের মালিকও জনগণ। তাই পিআরসহ অন্যান্য সংস্কার বিষয়ে আলোচনার দরজা খোলা রাখা উচিত।’