এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ষোলো বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল স্পেন। ডালাসে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের ছন্দ ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে দাপুটে এক জয়ে ফাইনালে পা রাখল স্প্যানিশরা। অন্যদিকে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার ফরাসি স্বপ্ন এবার সেমিফাইনালেই থমকে গেল।
ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন বেশ গোছানো ফুটবল উপহার দেয়। প্রতিপক্ষ শিবিরে কিলিয়ান এমবাপ্পে বা উসমান দেম্বেলের মতো তারকা ফুটবলাররা থাকলেও শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল স্প্যানিশরা। ম্যাচের ২০ মিনিটে প্রথম বড় সুযোগটি আসে স্পেনের সামনে। ডি-বক্সের ভেতর বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত স্পেনের লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করে বসেন ফরাসি ডিফেন্ডার লুকা দিনিয়ে। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে ভিএআর (VAR) যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
ম্যাচের ২২ মিনিটে স্পটকিক থেকে লক্ষ্যভেদ করে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তাঁর পঞ্চম গোল। এর মাধ্যমে ১৯৮৬ সালে এমিলিও বুত্রাগেনিও এবং ২০১০ সালে ডেভিড ভিয়ার পর স্পেনের হয়ে এক বিশ্বকাপে ৫ গোল করার কীর্তি গড়লেন তিনি। অন্যদিকে, এই পেনাল্টির মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি (১৬টি) পেনাল্টি হজম করার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ল ফ্রান্স।
পিছিয়ে পড়ার পর ফ্রান্স ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। উল্টো প্রথমার্ধের শেষভাগে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল স্প্যানিশরা। দানি ওলমোর ব্যাকহিল পাসে ইয়ামাল বল বাড়িয়েছিলেন লুইসের উদ্দেশ্যে, তবে ফরাসি ডিফেন্ডারদের বাধায় সে যাত্রা রক্ষা পায় ফ্রান্স। এরই মধ্যে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় ফরাসি ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা-কে, যা ফ্রান্সের রক্ষণভাগে বাড়তি চাপ তৈরি করে। প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে দারুণভাবে বোতলবন্দী করে রাখেন লাপোর্তে ও কুবার্সির সেন্টার ব্যাক জুটি।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম একের পর এক খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন। মাঠে নামানো হয় কোনে, দেজিরে দুয়ে, রায়ান শেরকি ও থিও এর্নান্দেজদের। তবে ফরাসিদের সব পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়ে ৫৮ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে স্পেন। অলমোর সঙ্গে দুর্দান্ত ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে চমৎকার শটে গোল করেন ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো। টুর্নামেন্টে এটি তাঁর দ্বিতীয় গোল। ফার্নান্দো হিয়েরোর পর স্পেনের দ্বিতীয় ডিফেন্ডার হিসেবে এক বিশ্বকাপে একাধিক গোল করার রেকর্ড গড়েন তিনি।
দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর স্পেন অযথা ঝুঁকি না নিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে সময় পার করতে থাকে। ম্যাচের শেষভাগে এমবাপ্পের একটি আক্রমণ দারুণভাবে প্রতিহত করেন কুকুরেয়া। ফলে ম্যাচে ফেরার মতো আর কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি ফ্রান্স।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সাথে সাথেই উল্লাসে মেতে ওঠে স্প্যানিশ সমর্থকরা। এই জয়ের মাধ্যমে ২০১০ সালের পর প্রথমবার ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি দারুণ কিছু রেকর্ডও গড়েছে স্পেন। তারা স্পর্শ করেছে ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ইতালির গড়া টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার বিশ্বরেকর্ড। একই সাথে ইউরো ও বিশ্বকাপ মিলিয়ে টানা ৮টি নকআউট ম্যাচ জয়ের অনন্য কীর্তি গড়ল দে লা ফুয়েন্তের দল।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
নোয়াখালী | ৩০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ৩০ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।