এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরের সালথায় তিনটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে অব্যয়িত ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পটির জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৪০ লাখ ৮৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। এর মধ্যে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা ব্যয়ে ৪ দশমিক ৫৩৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজ শেষ করা হয়।
রবিবার (১২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখননের জন্য এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল খালগুলোর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করা, কৃষিজমির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন।
প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। পরে জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো সময়জুড়ে ব্যয় ও কাজের মান নিয়মিত তদারকি করা হয়। ফলে নির্ধারিত মান অক্ষুণ্ন রেখে তুলনামূলক কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
প্রায় তিন মাসব্যাপী প্রকল্প শেষে শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতি, পরিবহন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়সহ সব বিল পরিশোধের পরও ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা অব্যয়িত থাকে। সরকারি বিধি অনুসারে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) একাধিক সদস্য বলেন, ইউএনও দবির উদ্দিন নিয়মিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তাঁর নিবিড় তদারকির ফলে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ও এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে খালগুলো ভরাট থাকায় পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। এতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট দেখা দিত। পুনঃখননের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে, কৃষিকাজে সুবিধা বাড়বে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এলাকাবাসীর মতে, খালগুলো সচল থাকলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক আবাসস্থলও পুনরুদ্ধার হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। তাই এই অর্থ ব্যয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করার পর যে অর্থ অবশিষ্ট ছিল, তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কল্যাণে বরাদ্দকৃত প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই প্রশাসনের অঙ্গীকার।
ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫
মার্চ ১৯, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১২ জুলাই, ২০২৬
মাদারীপুর | ১২ জুলাই, ২০২৬
বলিউড | ১২ জুলাই, ২০২৬
ফুটবল | ১২ জুলাই, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ১২ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।