সন্ধ্যা হলেই মশার অত্যচারে অতিষ্ঠ জলঢাকাবাসী
শীতের আমেজ শেষ না হতেই নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন জনগণ।
বদ্ধজলাশয় ও নালা নর্দমায় ময়লা আবর্জনার স্তূপে ভরপুর হয় তা ঠিকমতো পরিষ্কার না করার ফলে মশার উপদ্রব্য বেড়েছে কয়েক গুণ।
উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গারোল হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ,সরকার প্রতিবছর বাজেটে মশা নিধনের জন্য মোটা অংকের অর্থ বরাদ্দ করলেও তা রহস্য জনক কারনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয়ায়
বিগত বছরের চেয়ে এ বছর মশার উপদ্রব বেড়েছে দ্বিগুণ। আর মশা বেড়ে যাওয়ায় সন্ধ্যা হলেই শুরু হয় মশার উপদ্রপ।এতে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে উপজেলাবাসী।
সূত্র জানায়, উপজেলা ও পৌর শহরের মশা নিধনের ফগার মেশিন থাকার পরেও বছরে ২-১ দিন উপজেলা পরিষদ চত্বর ও পৌর শহরের বিভিন্ন জায়গায় মশা নিধন ঔষধ ছিটানো হলেও ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড গুলোতে কখনোই মশা নিধন কার্যক্রম চালানো হয়নি। অপরদিকে জলঢাকা পৌরসভা গঠনের ২৪ বছর পার হলেও নাগরিক সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত পৌরবাসী। এদিকে নিয়মিত এলাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা, বিভিন্ন এলাকার সড়ক বাতি স্থাপন,পানি নিস্কাশন,ও মশক নিধন কার্যক্রম চালু রাখার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এদিকে পৌরসভা গঠনের পর হতে নির্বাচিত মেয়র ও জনপ্রতিনিধিগন দায়িত্ব পালন করলেও মশা নিধনের কোন সুবিধা পাননি বলে অভিযোগ বিভিন্ন মানুষের। উপজেলা পরিষদ প্রশাসক, নির্বাহী কর্মকর্তা ও বর্তমান পৌরসভার প্রশাসক জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন জানান বদ্ধ জলাশয় ও অপরিস্কার নালা নর্দমার কারনে মশার উপদ্রপ বাড়বে এটা স্বাভাবিক। মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করবে পৌর সভা ও ইউনিয়ন পরিষদ। তিনি আরো জানান মশক নিধনে এখনো বরাদ্দ আসেনি। মশক নিধনে সরকারী বরাদ্দ আসলে এর কার্যক্রম শুরু করব।
What's Your Reaction?
হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান, জলঢাকা প্রতিনিধি, নীলফামারীঃ