এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ডালাসে তখন অতিরিক্ত সময়ের প্রস্তুতি চলছিল। টানটান উত্তেজনার আইবেরিয়ান ডার্বি তখনও গোলশূন্য। দুই দলের সাবধানী ফুটবলে ম্যাচ যখন আরও ৩০ মিনিটের লড়াইয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই দেখা গেল স্পেনের সেই কাঙ্ক্ষিত ঝলক। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মিকেল মেরিনোর দুর্দান্ত গোলে পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল স্পেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে ছিল স্পেন, সৃষ্টি করেছিল বেশি সুযোগও। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার পর্তুগালের রক্ষণভাগে কাঁপুনি ধরায় তারা। তবে পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তার দৃঢ়তায় বারবার হতাশ হতে হয়েছে লা রোজাদের। মিকেল ওইয়ারসাবাল একা গোলরক্ষককে পেয়েও সুযোগ হাতছাড়া করেন। এরপর লামিন ইয়ামাল ও আলেক্স বায়েনার দুটি নিশ্চিত গোলমুখী শট দারুণভাবে রুখে দেন কস্তা।
অন্যদিকে, পর্তুগাল মূলত প্রতি-আক্রমণ নির্ভর ফুটবলের ওপর ভরসা রেখেছিল। দলের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো কয়েকবার সুযোগের কাছাকাছি গেলেও স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি। প্রথমার্ধের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি অবশ্য পেয়েছিল পর্তুগালই; নুনো মেন্ডেসের একটি জোরালো শট স্প্যানিশ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে ক্রসবারে প্রতিহত হয়। ফলে গোলশূন্য ব্যবধানেই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের চেনা চিত্র বদলায়নি। স্পেন ধৈর্য ধরে নিখুঁত পাসের পসরা সাজিয়েছে, আর পর্তুগাল অপেক্ষা করেছে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের। ম্যাচ যতই শেষের দিকে এগোচ্ছিল, দুই দলের রক্ষণ ততই জমাট হচ্ছিল। এই অচলাবস্থা ভাঙতে ম্যাচের ৮৫ মিনিটে দানি ওলমোকে তুলে নিয়ে মিকেল মেরিনোকে মাঠে নামান স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। কোচের এই সাহসী সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
ম্যাচের বয়স তখন ৯০+১ মিনিট। একটি দ্রুত নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে আক্রমণের সূচনা করে স্পেন। ফাবিয়ান রুইজের পাস থেকে বল পান ফেরান তোরেস। তোরেসের চমৎকার পাস খুঁজে নেয় ডি-বক্সে আনমার্কড থাকা মেরিনোকে। বাঁ পায়ের অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে বল পর্তুগালের জালে জড়ান আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার। গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তার তখন চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।
ম্যাচে ফিরতে শেষ মুহূর্তে মরিয়া চেষ্টা চালায় পর্তুগাল। তবে রেনাতো ভেইগার হলুদ কার্ড খাওয়া এবং পর্তুগালের আক্রমণভাগের ব্যর্থতায় সমতায় ফেরা আর সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। এই জয়ের মাধ্যমে এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের 'ক্লিন শিট' (কোনো গোল হজম না করা) বজায় রাখল লা রোজারা। টুর্নামেন্টের অন্যতম সুসংগঠিত দল হিসেবে তারা আবারও নিজেদের প্রমাণ করল।
অন্যদিকে, বিদায়ের করুণ সুর বেজে উঠল পর্তুগাল শিবিরে। সম্ভবত নিজের ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নামা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জন্য দিনটি ছিল চরম হতাশার। কোটি ভক্তের অলৌকিক কিছুর অপেক্ষায় পানি ঢেলে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়তে হলো পর্তুগিজ মহাতারকাকে।
কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেওয়া বেলজিয়াম। আর পর্তুগালকে ফিরতে হচ্ছে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েও শেষ মুহূর্তে স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
রাঙ্গামাটি | ২২ আগস্ট, ২০২৬
গাজীপুর | ২২ আগস্ট, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র | ২২ আগস্ট, ২০২৬
ক্রিকেট | ২২ আগস্ট, ২০২৬
বিনোদন | ২২ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।