এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা রেলস্টেশন সংলগ্ন বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশাল এলাকা দখল করে পাকা স্থাপনা ও দোকানপাট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী দেলোয়ার মাতুব্বর এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগের বিস্তারিত
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তালমা মৌজার জে এল নং-১৩৬ এর দাগ নং ৫৫৮, ৫৫৯, ৫৬০ ও ৫৬১-এর মোট ০.৯৫ একর জমি ‘জলাশয়’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে রেলওয়ের কাছ থেকে লিজ নেওয়া হয়েছিল। তবে লিজের শর্ত ভঙ্গ করে দেলোয়ার মাতুব্বর, তার ছেলে মহসিন উদ্দিন ও মেয়ে সাদিয়া আক্তার ওই জলাশয় ভরাট করে সেখানে স্থায়ী পাকা ভবন ও দোকানঘর নির্মাণ করছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, একই পরিবারের সদস্যদের নামে আলাদা আলাদা লাইসেন্স ও রশিদ নিয়ে সরকারি জমি কুক্ষিগত করার কৌশল নিয়েছেন তারা। মহসিন উদ্দিনের নামে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে (পাকশী) থেকে ইস্যুকৃত লাইসেন্স ও রশিদে জলাশয় হিসেবে উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে সেখানে চলছে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের কর্মযজ্ঞ। এছাড়া সাদিয়া আক্তারের নামে ইস্যুকৃত রশিদে লাইসেন্স নম্বর, দাগ নম্বর বা জমির শ্রেণি উল্লেখ না থাকায় এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়েই জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রভাবশালীদের বক্তব্য ও স্থানীয় ক্ষোভ
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেলোয়ার মাতুব্বর দাবি করেন, তার সব কাগজপত্র বৈধ। এ সময় তিনি রেলওয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিলমোহরযুক্ত কিছু কাগজ প্রদর্শন করেন। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, যে সময় এসব লিজ প্রদান করা হয়েছিল, তখন তালমা রেললাইন বন্ধ ছিল। এখন রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু হওয়ার পরেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে ভূমি উদ্ধারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া বলেন, “রেলওয়ের জায়গা দখল করে জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে এবং জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে পাকা স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে। সরকারি সম্পদের এমন অপব্যবহার বন্ধে এবং জমি উদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আমার জানা নেই। রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি এভাবে দখল করার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে রাজবাড়ী ১৫ নং কাচারির ফিল্ড কানুনগো মো. রুহুল আমিন, পাকশীর উচ্চমান সহকারী তাপসী সুলতানা ও অফিস সহকারী জাবের আলীর সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কবে নাগাদ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
ফেব্রু ১০, ২০২৪
ফেব্রু ২১, ২০২৪
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ভারত | ৫ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ৫ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ৫ জুলাই, ২০২৬
বিনোদন | ৫ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।