রিহ্যাব নির্বাচন: আপিল নিষ্পত্তি না করেই ফলাফল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চরম অদক্ষতার অভিযোগ
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) নির্বাচন (২০২৬–২০২৮) ঘিরে তীব্র বিতর্ক ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা প্রক্রিয়ায় চরম অদক্ষতা এবং প্রার্থীদের আপিল উপেক্ষা করার অভিযোগ উঠেছে খোদ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।
ঘটনার সূত্রপাত ১৯ এপ্রিল, যখন ৫৫ নম্বর ব্যালটের পরিচালক প্রার্থী মোহাম্মদ আলিম উল্যাহ ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ এনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনে আপিল দাখিল করেন। নিয়ম অনুযায়ী, ওই আপিলের প্রেক্ষিতে ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টার মধ্যে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আপিলকারী প্রার্থীকে শুনানির বিষয়ে কোনো নোটিশ বা যোগাযোগ করা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, কোনো ধরনের তদন্ত বা আপিল নিষ্পত্তি ছাড়াই তড়িঘড়ি করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও প্রশ্নবিদ্ধ।
প্রার্থীর ঘনিষ্ঠ মহলের অভিযোগ, “একটি বৈধ আপিলের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগই করেনি। অভিযোগগুলোর সুরাহা না করেই ফল ঘোষণা তাদের চরম দায়িত্বহীনতা ও অদক্ষতার পরিচয়।”
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল মনে করছেন, কমিশনের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া এই ফলাফল ঘোষণা রিহ্যাবের মতো একটি সংগঠনের গণতান্ত্রিক চর্চাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচন কমিশন কি ইচ্ছাকৃতভাবে আপিলটি এড়িয়ে গেছে, নাকি প্রশাসনিক অদক্ষতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে? নিরপেক্ষ মহল থেকে দ্রুত আপিলের শুনানির ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগগুলোর স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এই নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী সংকট তৈরি হবে এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
What's Your Reaction?
অনলাইন ডেস্কঃ