এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আগামী ১২ মার্চ শুরু হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। ওই দিনই নতুন সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। তবে বর্তমানে বিদায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে প্রথম অধিবেশনের সভাপতিত্ব কে করবেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম বৈঠক বিদায়ী স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে শুরু হয়। কিন্তু ৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু কারাগারে রয়েছেন। এই সাংবিধানিক শূন্যতা কাটাতে রাষ্ট্রপতির মনোনয়নে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যের সভাপতিত্বে সংসদ শুরুর প্রক্রিয়া চলছে।
সংসদীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনের অধিবেশন পরিচালনার জন্য বিএনপির চারজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন— **ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এবং জয়নুল আবদিন ফারুক।**
**আলোচনায় থাকা চার নেতার রাজনৈতিক পরিচিতি:**
১. **হাফিজ উদ্দিন আহমদ:** বর্তমানে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য। তিনি ১৯৮৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং এর আগে মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২. **কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ:** বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য কায়কোবাদ মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সংসদীয় কার্যক্রমে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
৩. **ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন:** কুমিল্লা থেকে মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই বর্ষীয়ান নেতা বিএনপি সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।
৪. **জয়নুল আবদিন ফারুক:** নোয়াখালী থেকে টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি নবম সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
**আইনি ও সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট:**
সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্যদের শপথ পরিচালনা এবং নতুন স্পিকার নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অধিবেশনে সভাপতিত্ব করতে পারেন। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই সংকটকালীন সময়ে সংসদের গ্রহণযোগ্য কোনো জ্যেষ্ঠ সদস্যকে দিয়ে অধিবেশন শুরু করাই হবে যুক্তিযুক্ত।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। এরপরই বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন সরকার গঠন করেন। ১২ মার্চের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে এবং স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।
ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নিশ্চিত করেছেন যে, রাষ্ট্রপতির আহ্বানে নির্ধারিত দিনে সংসদ বসবে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠ সদস্যদের মধ্য থেকেই একজনকে প্রথম দিনের সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হবে।
ফেব্রু ২৪, ২০২৬
জুন ১৫, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
নওগাঁ | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
বিনোদন | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।