এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
২০০১ থেকে ২০০৫ সাল। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশজুড়ে এক অন্যরকম আবহ তৈরি করেছিলেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তখন হেলিকপ্টারে চড়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে নকলবাজদের মনে রীতিমতো আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। সেই ‘নকলবিরোধী যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত এহছানুল হক মিলন এবার ফিরেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগের মতো নকলবিরোধী হার্ডলাইন অভিযানের প্রয়োজন এখন আর নেই।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু ও মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
এক সময়ের আলোচিত সেই অভিযানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, "তখনকার পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। তবে পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এখন আর আগের মতো হেলিকপ্টার নিয়ে নকলবিরোধী অভিযানের প্রয়োজন হবে না।" তিনি ইঙ্গিত দেন যে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও মান বজায় রাখতে বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার ওপরই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
বিগত কয়েক বছরের শিক্ষা ব্যবস্থার অস্থিরতা এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ‘অটো পাস’ দেওয়ার প্রবণতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যোগ্যতার মূল্যায়ন ছাড়া কাউকে উত্তীর্ণ করার পথে হাঁটবে না মন্ত্রণালয়। মন্ত্রী বলেন, "মাঝখানে দেশে মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) তৈরির সংস্কৃতি দেখা গেছে, যার সুযোগ নিয়ে শিক্ষার্থীরা ‘অটো পাস’ আদায় করে নিয়েছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, দেশ আর সেই নেতিবাচক সংস্কৃতিতে ফিরে যাবে না।"
শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং একটি মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার হলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করাই হবে তার অগ্রাধিকার।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে একটি কঠোর বার্তা। অতীতের মতো রাজপথে বা পরীক্ষার হলে বিশৃঙ্খলা করে পার পাওয়ার সুযোগ যে আর থাকছে না, তা তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
মাদারীপুর | ১০ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১০ জুলাই, ২০২৬
বরিশাল | ৯ জুলাই, ২০২৬
বান্দরবান | ৯ জুলাই, ২০২৬
পিরোজপুর | ৯ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।