এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দারিদ্র্য, পারিবারিক কলহ আর মানসিক অস্থিরতা—সবকিছু মিলিয়ে এক মায়ের জীবনে জমে উঠেছিল এক অসহনীয় হতাশা। সেই হতাশাই কি শেষ পর্যন্ত তাকে ঠেলে দিল ভয়ংকর এক সিদ্ধান্তে? শ্রীনগরে যমজ শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেষ পর্যন্ত স্বীকারোক্তি দিলেন মা শান্তা বেগম। আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে তিনি স্বীকার করেছেন, তিনিই নিজের সন্তানদের পুকুরে ফেলে হত্যা করেছেন।
আজ বুধবার (৯ জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে মুন্সীগঞ্জ আদালতে এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোর্ট ওসি কামরুল ইসলাম মিয়া।
ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার সন্ধ্যায়। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়নের বিবন্দী গ্রামে এক মর্মান্তিক দৃশ্যের অবতারণা হয়—পুকুরে ভেসে উঠে যমজ দুই শিশুর নিথর দেহ। তারা কিছুক্ষণ আগেও ছিল পরিবারের প্রাণ, হাসির উৎস। ঘটনার পরপরই পুলিশ আটক করে নিহত শিশুদের বাবা সোহাগ মিয়া ও মা শান্তা বেগমকে।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে শুরুতে কেউ মুখ না খুললেও আজ শান্তার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে উন্মোচিত হলো নির্মম বাস্তবতা। দারিদ্র্য, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মানসিক চাপের কারণে তিনি চরম হতাশায় ভুগছিলেন। সেই হতাশা থেকেই তিনি এই অমানবিক সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন।
এই ঘটনা শোকের ছায়া ফেলেছে পুরো এলাকায়। প্রতিবেশীরা বলছেন, শান্তা বেগম কিছুদিন ধরেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তবে কেউ ভাবতেই পারেনি, এর পরিণতি এমন ভয়াবহ হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, জবানবন্দির পর শান্তা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে মামলাটি আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নওগাঁ | ৫ জুন, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ৫ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।