শ্রীনগরে একশত ব্যবসায়ীসহ ১৩টি পরিবারের বসতবাড়ীর সম্পত্তি জোড় পূর্বক দখলের চেষ্টা
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে একশত ব্যবসায়ীসহ ১৩ টি পরিবারের বসতবাড়ীর সম্পত্তি জোড় পূর্বক দখলের চেষ্টা অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার দুপুর ১২ টার দিকের উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নের পূর্ব কামারগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী "স" ব্যবসায়ী আবুল কালাম পাঠান বাদী হয়ে উজ্জ্বল হাওলাদারের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কামারগাঁও মৌজার আর এস ৪০৩৬ ও ৪০৩০ দাগের ৫০ শতক বসতবাড়ীর সম্পত্তি "স" ব্যবসায়ী আবুল কালাম পাঠান হেবা দলিল মুলে মালিক হয়ে ঘর দরজা উত্তোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ ভোগদখলে রয়েছেন। পূর্ব কামাগাঁও এলাকার নান্নু ভাওলাদার ও তার ছেলে উজ্জল হাওলাদারগং বসতবাড়ীর ঐ সম্পত্তি নিজেদের দাবী করে জোড় পূর্বক দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বসতবাড়ীর সম্পত্তির চারপাশ ভরাটের ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে ১৩ টি পরিবার বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে। বসতবাড়ীতে জলাবদ্ধতা কারণে ঘটনারদিন শনিবার ভুক্তভোগী আবুল কালাম পাঠান ঝগ দিয়ে পুরাতন বসতঘর উঠিয়ে কাঠ মিস্ত্রি দিয়ে মেরামত শুরু করেন। এসময় উজ্জ্বল হাওলাদার ও নান্নু হাওলাদারগং আরো অজ্ঞাতনামা নামা ১০-১৫ লোক নিয়ে বসতবাড়ীর দখলের উদ্দেশে মিস্ত্রীদের মেরামত কাজে বাধা দেয় এবং পুনরায় মেরামত কাজ করতে গেলে বাড়ীঘর পুড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দিয়ে মেরামত কাজ একেবারে বন্ধ করে দেয়।
এব্যাপারে অভিযুক্ত নান্নু হাওলাদারের কাছ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এব্যাপারে কিছুই বলতে পারবো না। এটা আমার ছেলে উজ্জ্বল জানে। ছেলে উজ্জলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ তদন্তকারী অফিসার শ্রীনগর থানার এসআই কামরুজ্জামান বলেন, দুইপক্ষের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্ত করি। আবুল কালাম পাঠান পক্ষ ঐ সম্পত্তিতে পূর্ব থেকে ঘর দরজা উত্তোলন করে বসবাস করে আসছে। অপর পক্ষ উজ্জ্বল হাওলাদার ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে তাদের কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে আমি দুই পক্ষকে থানা ডেকে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে উজ্জল পক্ষ আদালতের সরাপন্না হওয়ার জন্য বলেছিল।
What's Your Reaction?
এমএ কাইয়ুম মাইজভান্ডারি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জঃ