এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
শহীদ মিনার শুধু ভাষা সংগ্রামের স্মারকই নয়, এটি বাঙালির জাতিসত্ত্বা, ইতিহাস ও দেশপ্রেমের প্রতীক আগামী প্রজন্মের মধ্যে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাশীলের সঙ্গে সঙ্গে দেশাত্মবোধ, ইতিহাস-ঐতিহ্য জাগ্রত করার প্রয়োজনে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা বাঞ্ছনীয় হলেও আত্রাই উপজেলায় ১৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শহীদ মিনার আছে শুধু মাত্র ১৫টি বিদ্যালয়ে, ৩৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শহীদ মিনার রয়েছে ১১টি, ৫টি জেনারেল কলেজের মধ্যে শহীদ মিনার রয়েছে ৩টি, এদিকে ১৫টি মাদ্রাসা এবং ৩০টি কিন্ডারগার্টেন থাকলেও কোনোটিতে নেই শহীদ মিনার।
সরকারি ভাবে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলো পালন করার নির্দেশনা থাকলেও এসব দিবসে শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার জন্য অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় তা পালন করতে পারে না। এ কারণে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্বসহ বিভিন্ন দিবস পালন বিষয়ে অনুধাবন করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।
কিছু শিক্ষার্থীরা জানান, নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন দিবস আসলে তারা উপজেলা পরিষদ চত্বরে থাকা শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অন্যদিকে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকলেও দিবসগুলো পালনই করা হয় না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রামচন্দ্রবাটি, দ্বীপচাঁদপুর, বাঁকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চকশিমলা উচ্চ বিদ্যালয়, কাসুন্দা উচ্চ বিদ্যালয় ও আত্রাই মহিলা কলেজে শহীদ মিনার নেই। কিছু প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকলেও পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
আত্রাই মহিলা কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ জিয়াউল হক বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। তবে সরকারি বিভিন্ন দিবস আমরা উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে পালন করে থাকি।
চকশিমলা উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক প্রাণবল্লব বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনার না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিভিন্ন সরকারি প্রোগ্রাম সঠিকভাবে পালন করা আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে শহীদ মিনারের বরাদ্দ চেয়েছি। আশা করছি এবার বরাদ্দ পেয়ে যাব।
এ ব্যাপারে আত্রাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাযহারুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণের সরকারি কোনো বরাদ্দ নেই। প্রতিষ্ঠান তাদের নিজের অর্থায়নে শহীদ মিনার নির্মাণ করবে তাদের জন্যই এই নির্দেশনা।
উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, উপজেলার বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই, আমরা বিভিন্নভাবে শহীদ মিনার তৈরি করার জন্য বরাদ্দ দেয়ার চেষ্টা করি। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকতেই হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। তবে শহীদ মিনার নির্মাণ করা প্রয়োজন।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
কুষ্টিয়া | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।