সালথায় সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাবেক সেনা সদস্য শহিদুল ইসলাম সোহেল (৪৮)-এর ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি নুরু বিশ্বাস (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ভাওয়াল গ্রামের আলী বিশ্বাসের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার ভাওয়ার ইউনিয়নের ভাওয়াল গ্রামের পাশের একটি বিলের পাড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি নুরু বিশ্বাসকে ভাওয়াল গ্রামের একটি বিলের পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে ফরিদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদরের সালথা বাজারে জননী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় নিজ ক্লিনিকে অবস্থান করছিলেন সাবেক সেনা সদস্য শহিদুল ইসলাম সোহেল। এদিকে মার্কেটের নিচতলায় দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা বিক্রি ও গাঁজা সেবন করে আসছিল নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা। বুধবার সন্ধ্যায় মার্কেটের ভেতরে মাদক সেবনের সময় সোহেল তাদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরু বিশ্বাস, শামীম বিশ্বাস (২৪) ও সোহেল মাতুব্বর (২৩) লাঠিসোটা নিয়ে তার ক্লিনিকে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়।
এ সময় সাবেক সেনা সদস্য সোহেল গুরুতর আহত হন। হামলার পুরো দৃশ্য সিসি ক্যামেরায় ধারণ হয়, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম সোহেলের বড় ভাই কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে সেটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান শুরু করে এবং প্রধান অভিযুক্ত নুরু বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
What's Your Reaction?
জাকির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ