এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
সৌদি আরব ও মিসরের যৌথ উদ্যোগে একটি নতুন রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এটি বিজ্ঞান ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নেওয়া হলেও, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রে এই প্রকল্প এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্প ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের সামরিক ও কূটনৈতিক সমীকরণ বদলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশেষ করে, সৌদি আরবের অর্থায়ন এবং চীনের প্রযুক্তিগত কাঠামোর সমন্বয়ে গড়ে উঠতে যাওয়া এই স্যাটেলাইট প্রকল্পকে ঘিরে ইসরায়েলের নীতিনির্ধারক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েলের উদ্বেগের কারণ ও সীমান্ত পরিস্থিতি
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মিসর ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি লঙ্ঘন করে সিনাই উপদ্বীপে অতিরিক্ত সাঁজোয়া যান ও সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে মিসরের পক্ষ থেকে বরাবরই এক ধরণের কৌশলগত অস্পষ্টতা বজায় রাখা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরব ও মিসরের যৌথ স্যাটেলাইট প্রকল্প ইসরায়েলের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
'ভিশন ২০৩০' ও আঞ্চলিক নির্ভরশীলতা
সম্প্রতি সৌদি মন্ত্রিসভায় এই যৌথ স্যাটেলাইট প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই স্যাটেলাইট মূলত পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, রিমোট সেন্সিং এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হবে। সৌদি আরব একে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে তুলে ধরছে।
তবে এই প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক গভীর। তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাওয়া মিসর গত এক দশকে উপসাগরীয় দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপুল বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই যৌথ স্যাটেলাইট প্রকল্পের মাধ্যমে সৌদি আরব মূলত মিসরের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কাঠামোর আরও কাছাকাছি আসার সুযোগ পাচ্ছে।
বেসামরিক প্রচ্ছদে সামরিক নজরদারি
অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, মিসরের বেসামরিক স্যাটেলাইট প্রকল্পগুলোর তথ্য অনেক সময় সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন এই স্যাটেলাইটটির সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এটি লোহিত সাগর, সিনাই উপদ্বীপ এবং মিসরের সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে নজরদারির ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
চীনের প্রযুক্তি ও কৌশলগত ভূমিকা
মিসরের মহাকাশ কর্মসূচির বিকাশে চীন শুরু থেকেই বড় ভূমিকা পালন করে আসছে। মিসরের ‘মিসরস্যাট-২’ স্যাটেলাইটটি চীনের সাহায্যেই নির্মিত ও উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। এছাড়া মিসরের মহাকাশ কর্মসূচির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে চীনের অর্থায়নে নির্মিত স্যাটেলাইট সংযোজন ও পরীক্ষাকেন্দ্র। ফলে এই নতুন প্রকল্পে সৌদি পুঁজি এবং চীনা প্রযুক্তির এই সমন্বয় মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
মার্চ ১, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
রাজবাড়ী | ২৭ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২৭ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২৭ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২৭ জুন, ২০২৬
বিনোদন | ২৭ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।