ওমরাহ শেষে দেশে ফিরতে গিয়ে জেদ্দায় আটকা পড়লেন মুশফিক

খেলা ডেস্কঃ
Feb 28, 2026 - 21:49
ওমরাহ শেষে দেশে ফিরতে গিয়ে জেদ্দায় আটকা পড়লেন মুশফিক

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার আকস্মিক সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমন যুদ্ধাবস্থায় আকাশপথের যোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ায় সৌদি আরবে আটকা পড়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে তিনি বর্তমানে জেদ্দা বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন।

জানা যায়, ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে কয়েকদিন আগে মক্কায় গিয়েছিলেন মুশফিক। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুবাই হয়ে তার ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি। 

শনিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে নিজের বর্তমান অবস্থার কথা জানিয়ে মুশফিক লেখেন, "সবাইকে আসসালামু আলাইকুম। আমি কয়েকদিন আগে ওমরাহ হজের জন্য মক্কায় এসেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আমার ওমরাহ সম্পন্ন করেছি এবং আজ দুবাই হয়ে বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। আমরা আজ সকালে জেদ্দা থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ফ্লাইটে রওয়ানা হয়েছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের কারণে সমস্ত ফ্লাইট পুনরায় জেদ্দায় ফিরে এসেছে।"

বর্তমানে আরও হাজার হাজার যাত্রীর সঙ্গে জেদ্দা বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন তিনি। অন্যান্য বাংলাদেশিদের সঙ্গে কখন এবং কীভাবে নিরাপদে দেশে ফিরতে পারবেন, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার কথা জানান। একইসঙ্গে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়াও প্রার্থনা করেছেন।

প্রসঙ্গক্রমে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে ব্যাপক হামলা চালানোর পর ইরানও পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে। ইরানের রাজধানী তেহরানসহ কেরমানশাহ, লোরেস্তান, তাবরিজ, ইসফাহান ও কারাজ প্রদেশে জোরালো বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে সাইরেন বেজে ওঠে এবং নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

এরই মাঝে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলের হামলায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ওই হামলায় কমপক্ষে ৫৩ জন নিহত ও আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাদমেহর জানান, হামলার সময় বিদ্যালয় ভবনের ভেতরে প্রায় ১৭০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। নিহতদের অধিকাংশই কন্যাশিশু। উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow